আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
ইরান-হরমুজ: নৌ-অবরোধ আদৌ কার্যকর হয়?
- Author, বিবিসি নিউজ পারসিয়ান
- পড়ার সময়: ৮ মিনিট
ওমান উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-বাহিনীর জাহাজে ইরান ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
মার্কিন নৌ-বাহিনী তৌস্কা নামে একটি ইরানের পতাকাবাহী কন্টেইনার জাহাজ জব্দ করার পর এই হামলা চালানো হয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ছয় ঘণ্টা ধরে "বারবার সতর্ক বার্তা দেওয়ার পরও কোনো সাড়া না দেওয়ায়" ইউএসএস স্প্রুয়েন্স জাহাজটি "তৌস্কার প্রপালশন বা চালিকাশক্তি বিকল করে দেয়।"
এরপর মার্কিন নৌ-সেনারা ইউএসএস ত্রিপোলি নামক যুদ্ধজাহাজ থেকে হেলিকপ্টারে চড়ে দড়ি বেয়ে তৌস্কা জাহাজে নামেন।
জাহাজটির অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) থেকে জানা গেছে, গত ১২ই এপ্রিল মালয়েশিয়ার পোর্ট ক্লাং থেকে যাত্রা শুরু করে জাহাজটি দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের চাবাহার বন্দর থেকে প্রায় ৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থান করছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত মার্কিন নৌ-অবরোধ অমান্য করার চেষ্টা করায় জাহাজটিকে "যথাযথ সতর্কবাণী" দেওয়া হয়েছিল।
তিনি আরো বলেন, "ইরানি নাবিকরা কথা শুনতে অস্বীকার করেছিল তাই আমাদের নৌ-বাহিনী তাদের ইঞ্জিন রুমে ছিদ্র করে দিয়ে তাদের মাঝপথে থামিয়ে দিয়েছে।"
২৯০ মিটার দীর্ঘ এই ইরানি জাহাজটি এখন মার্কিন নৌ-বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।
"পূর্ববর্তী অবৈধ কর্মকাণ্ডের কারণে" জাহাজটি আগে থেকেই মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল এবং বর্তমানে মার্কিন নৌ-সেনারা এতে কী আছে সেটি তল্লাশি করে দেখছে।
নৌ-অবরোধ করার যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত যুদ্ধের অন্যতম প্রাচীন কৌশলকে আবারও আলোচনায় এনেছে।
সমুদ্রপথ বন্ধ করে দিয়ে কোনো দেশের অর্থনীতি দুর্বল করা, বাণিজ্য ব্যাহত করা এবং প্রতিপক্ষকে নতি স্বীকারে বাধ্য করাই এই কৌশলের লক্ষ্য।
ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, এই ধরনের পদক্ষেপ চাপ দেওয়ার ক্ষেত্রে কার্যকর হলেও এর সামগ্রিক প্রভাব বেশ জটিল।
কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ করে, দুইটি বিশ্বযুদ্ধের সময় নৌ-অবরোধগুলো একটি দেশের যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা কমিয়ে দিতে বড় ভূমিকা পালন করেছিল।
কিন্তু গাজা ও ইয়েমেনে ব্লকেড বা অবরোধের ঘটনাগুলোতে দেখা গেছে, এগুলো স্থায়ী কোনো রাজনৈতিক সমাধান দিতে পারেনি বরং মানবিক সংকটকে আরো গভীর করে তুলেছিল।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য সংবাদ
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির ওপর ব্রিটেনের নৌ-অবরোধ
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়(১৯১৪-১৯১৯) জার্মানির ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধকে প্রায়শই "ডিসটেন্ট ব্লকেড বা দূরবর্তী অবরোধের" একটি ক্লাসিক বা ধ্রুপদী উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
জার্মানির বন্দরগুলোকে চারপাশ থেকে সরাসরি ঘিরে না ফেলে, ব্রিটেন উত্তর সাগরে তাদের আধিপত্য ব্যবহার করে সামুদ্রিক যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করেছিল।
রয়েল নেভি অর্থাৎ ব্রিটিশ নৌ-বাহিনী বিভিন্ন জাহাজ তল্লাশি করতো এবং নিরপেক্ষ দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতো যেন বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে জার্মানি কার্যত ছিটকে পড়ে।
সময়ের সাথে সাথে এই নিষেধাজ্ঞার তালিকা কেবল সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি বরং এতে খাদ্য এবং সারও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
নিরপেক্ষ দেশগুলোর মাধ্যমে বাণিজ্য চালিয়ে এবং অভ্যন্তরীণভাবে পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে শুরুতে জার্মানি এই পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করেছিল।
কিন্তু যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সাথে সাথে আমদানি ব্যাপকভাবে হ্রাস পায় এবং প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাবে কৃষি ও শিল্প উৎপাদন কমে যায়।
এর সামাজিক প্রভাব ছিল ভয়াবহ। ১৯১৬ সালে খাদ্য ঘাটতি একটি সংকটে পরিণত হয়।
তথাকথিত "টার্নিপ উইন্টার বা শালগম খেয়ে বেঁচে থাকার" সেই সময়টি অবর্ণনীয় কষ্টের প্রতীকে পরিণত হয়।
ঐতিহাসিকদের মতে, অপুষ্টি এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগে প্রায় কয়েক লাখ বেসামরিক মানুষ মারা গিয়েছিল।
যদিও এই অবরোধই জার্মানির পরাজয়ের একমাত্র কারণ ছিল না।
কিন্তু ইতিহাসবিদরা এটিকে জার্মানির যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা দুর্বল করার পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচনা করেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের ওপর মিত্রশক্তির নৌ-অবরোধ
সামুদ্রিক সরবরাহ লাইনের ওপর জাপানের নির্ভরশীলতা থাকায় নৌ-অবরোধের মুখে অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় পড়েছিল জাপান।
একটি দ্বীপরাষ্ট্র হিসেবে জাপানের জ্বালানি তেল, কাঁচামাল এবং খাদ্য আমদানির জন্য যেমন জাহাজ চলাচলের ওপর নির্ভর করতে হতো, তেমনি প্রশান্ত মহাসাগরে নিজেদের সেনাদের কাছে রসদ পাঠাতেও সমুদ্রপথ ছিল একমাত্র ভরসা।
১৯৪৩ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাবমেরিনগুলো জাপানি পণ্যবাহী জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে শুরু করে।
পরবর্তীতে আকাশ থেকে সাগরে মাইন পুঁতে রাখার বিশেষ অভিযান, বিশেষত অপারেশন স্টারভেশন জাপানের প্রধান সামুদ্রিক রুটগুলোকে বিকল করে দেয়।
যুদ্ধের শেষ বছরে জাপানের বাণিজ্যিক জাহাজের বহর প্রায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।
যুদ্ধ-পরবর্তী মূল্যায়ন থেকে জানা যায়, জাহাজের এই ধ্বংসযজ্ঞই যুদ্ধকালীন জাপানের অর্থনীতি ভেঙে পড়ার প্রধান কারণ ছিল।
জার্মানির মতো জাপানের এমন কোনো বিকল্প স্থলপথ ছিল না, যেটি দিয়ে তারা এই চাপ সামাল দিতে পারতো।
যদিও নানা কারণে জাপান আত্মসমর্পণ করেছিল, এর মধ্যে পরমাণু বোমা হামলা এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের যুদ্ধে যোগদানের মতো একাধিক কারণ ছিল।
তবুও তাদের মেরিটাইম সাপ্লাই লাইন বা সামুদ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া এই পরাজয়ে এক চূড়ান্ত ভূমিকা পালন করেছিল।
১৯৬২ সালে কিউবার 'নৌ-কোয়ারেন্টাইন'
কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট সামুদ্রিক চাপের এক ভিন্নধর্মী প্রয়োগের বিষয়টি তুলে ধরে।
যুক্তরাষ্ট্র তাদের এই পদক্ষেপকে ডেলিবারেটলি বা ইচ্ছাকৃতভাবেই ব্লকেড বা অবরোধ উল্লেখ না করে "কোয়ারেন্টাইন" টার্মটি ব্যবহার করেছিল যাতে আইনি জটিলতা এড়ানো যায়।
তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির তত্ত্বাবধানে কিউবায় সোভিয়েত সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছানো বন্ধ করতে মার্কিন নৌ-বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল।
এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল সীমিত এবং সুনির্দিষ্ট।
যেমন: কিউবায় নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন স্থগিত করা এবং মস্কোর সাথে আলোচনার ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান শক্ত করা।
পুরো অভিযানটি এক মাসেরও কম সময় স্থায়ী হয়েছিল এবং মূলত একটি সতর্কবার্তা হিসেবে এটি কাজ করেছিল।
সরাসরি যুদ্ধের ঝুঁকি এড়াতে কিছু সোভিয়েত জাহাজ মাঝপথ থেকেই ফিরে যায়।
ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতার পাশাপাশি এই কঠোর অবস্থানের কারণে সমস্যার সমাধান হয়।
শেষ পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবা থেকে তাদের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সরিয়ে নেয় এবং বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রও গোপনে তুরস্ক থেকে তাদের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সরিয়ে নিতে রাজি হয়।
সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য এই কোয়ারেন্টাইন পদক্ষেপটিকে বিশ্বজুড়ে একটি সফল কৌশল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ইরাকের ওপর জাতিসংঘের সামুদ্রিক নিষেধাজ্ঞা
১৯৯০ সালে ইরাক কুয়েতে হামলার পর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
এর মধ্যে সমুদ্রপথে নজরদারি এবং যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করার পদক্ষেপও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
নব্বইয়ের দশক থেকে শুরু থেকে এই নিষেধাজ্ঞা ইরাককে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করতে এবং আন্তর্জাতিক শর্তগুলো মানতে বাধ্য করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হয়ে ওঠে।
যদিও ইরাকের সমুদ্র ব্যবহারের সুযোগ সীমিত ছিল, সামুদ্রিকভাবে তদারকি বজায় থাকায় তেল রপ্তানি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রেখেছিল।
তবে স্থলপথ খোলা থাকায় কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা ফাঁকি দেওয়া সম্ভব হয়েছিল, যেটি এককভাবে এই নৌ-অবরোধের প্রভাবকে কিছুটা কমিয়ে দেয়।
বাস্তবে দেখা গেছে, এই সামুদ্রিক ব্যবস্থাগুলো তখনই সবচেয়ে বেশি কার্যকর হয়েছিল যখন সেগুলোকে অন্যান্য বৃহৎ নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক চাপের সাথে সমন্বয় করা হয়েছিল।
সাবেক যুগোস্লাভিয়ার বিরুদ্ধে সামুদ্রিক নিষেধাজ্ঞা
বলকান যুদ্ধের সময় সাবেক যুগোস্লাভিয়ার ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে নেটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন যৌথভাবে সমুদ্রে অভিযান পরিচালনা করেছিল।
১৯৯২ সাল থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে আড্রিয়াটিক সাগরে হাজার হাজার জাহাজ তল্লাশি করা হয় এবং শত শত জাহাজকে আটকে দেওয়া হয় অথবা পথ ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।
ওই অঞ্চলের তুলনামূলক সীমিত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই ব্যবস্থা কার্যকর করা বেশ সহজ ছিল।
এই অভিযানগুলো নিষেধাঙ্গার ঝুঁকি ও খরচ বাড়িয়ে দিয়েছিল যেটি এর কার্যকারিতাকে আরো শক্তিশালী করেছিল।
তবে শুধু এই অবরোধ দিয়েই যুদ্ধ থামানো সম্ভব হয়নি।
একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানোর জন্য সামরিক এবং কূটনৈতিক চাপের একটি বড় ধরনের সমন্বয়ের প্রয়োজন হয়েছিল।
গাজা ব্লকেড বা অবরোধ
২০০৭ সাল থেকে কার্যকর হওয়া গাজা অবরোধ মূলত মানুষের চলাচল, বাণিজ্য এবং বিভিন্ন সম্পদের ওপর আরোপিত এক ব্যাপক বিধি-নিষেধেরই অংশ।
২০০৯ সাল থেকে আরো কঠোর করা এই অবরোধের নৌ-অনুষঙ্গটি সমুদ্রপথ নিয়ন্ত্রণে প্রধান ভূমিকা পালন করে আসছে।
অস্ত্র চোরাচালান বন্ধ করতে এই ব্যবস্থাগুলো গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করেছে ইসরায়েল।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাগুলোর যুক্তি হলো, এই অবরোধ গাজার অর্থনীতি এবং জনজীবনকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
এই ব্লকেডের আইনি বৈধতা এখনও বিতর্কের উৎস।
২০২৪ সালের একটি এডভাইজরি ওপিনিয়নে দ্য ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস বা আন্তর্জাতিক আদালত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডগুলোর পরিস্থিতি নিয়ে তাদের গভীর উদ্বেগের কথা আবারো তুলে ধরেছে।
দীর্ঘ বছরের এই বিধিনিষেধ থাকার পরও গাজায় বারবার ঘটে চলা সহিংসতার চক্র বন্ধ হয়নি।
এই গাজা ব্লকেড বা অবরোধ চাপ বজায় রাখতে পারলেও দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তা কিংবা কোনো রাজনৈতিক সমাধান দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
ইয়েমেনে সৌদি আরবের নেতৃত্বে ব্লকেড বা অবরোধ
সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি জোট ২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনের বন্দর এবং আকাশপথের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে আসছে।
এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য ছিল হুথি বিদ্রোহীদের কাছে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করা।
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের জন্য আমদানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ইয়েমেন। সে কারণে সাধারণ মানুষের ওপর এই অবরোধের সরাসরি প্রভাব পড়েছে।
জাতিসংঘ বারবার সেখানে দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি, জ্বালানি সংকট এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়া নিয়ে সতর্ক করে আসছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানবিক সাহায্য পৌঁছানো সহজ করতে একটি তদারকি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হলেও, দীর্ঘসূত্রিতার কারণে প্রায়ই সেখানে জরুরি রসদ সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
এই ব্লকেড বা অবরোধ হুথিদের ওপর চাপ বাড়ালেও যুদ্ধের কোনো চূড়ান্ত সমাধান আনতে পারেনি।
বরং এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী মানবিক সংকট তৈরি করেছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।