পত্রিকা: '২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য কমেছে ৮.৩২ শতাংশ'

Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

নেপালে আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রায় চারশ জনের প্রাণহানির খবর ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকাগুলোর প্রথম পাতায় গুরুত্ব পেয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশে সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনেই হট্টগোল ও বিরোধী দলের ওয়াকআউটের খবরও গুরুত্ব পেয়েছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২০২৫-২৬ ভারতীয় অর্থবছরে কমেছে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ।

ভারতের বাণিজ্য বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুই দেশের মোট বাণিজ্য ছিল ১ হাজার ৩৪৯ কোটি ৩ লাখ ডলার বা ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯৩১ কোটি টাকা (ডলারের বিনিময় হার ১২৩ টাকা হিসাবে)।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা কমে হয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ১২১ কোটি টাকা।

বাংলাদেশের স্থলবন্দরগুলোর তথ্যেও দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য কমার চিত্র পাওয়া যায়।

গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যের আকার ক্রমেই বড় হয়েছে। পণ্য আমদানিতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস দেশ ভারত। দুই দেশের মোট বাণিজ্যের বড় অংশই ভারত থেকে বাংলাদেশে পণ্য আমদানি।

তবে চব্বিশের পাঁচই অগাস্ট বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ছন্দপতন দেখা যায়।

সীমান্তে উত্তেজনা, কূটনৈতিক ভাষার কঠোরতা, ভিসা ও কনস্যুলার সেবা সীমিত করা এবং পুশ-ইনসহ বিভিন্ন ইস্যু সামনে আসতে থাকে।

রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন বাণিজ্য ও অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলে।

বাংলাদেশকে দেওয়া তৃতীয় দেশে পণ্য পাঠানোর ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধাও ২০২৫ সালে বাতিল করে ভারত। এরপর ভারত থেকে সুতা ও কিছু কাঁচামাল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি বন্ধ করে বাংলাদেশ।

পরবর্তী সময়ে ভারত বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, প্লাস্টিক পণ্য ও আসবাবসহ কয়েকটি পণ্য স্থলবন্দর দিয়ে আমদানিতে সীমা আরোপ করে।

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Death toll rises to 360 in Nepal flash floods; অর্থাৎ নেপালে আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৩৬০। ঢাকার পত্রিকাগুলো তাদের প্রথম পাতায় গুরুত্ব দিয়ে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, গত বুধবার নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিখোঁজ হওয়া ১,৪০০ জনেরও বেশি মানুষের সন্ধানে গতকাল বৃহস্পতিবার উদ্ধার কাজ চলেছে। এদিন মৃতের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে অন্তত ৩৬০ জনে দাঁড়িয়েছে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সাহায্যকারী সংস্থা এবং বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ নেপালে সহায়তা পাঠাবে বলে জানিয়েছে।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা বাসসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মানবিক সহায়তা হিসেবে নেপালে ত্রাণসামগ্রী পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

এদিকে, নেপালের দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদে শোক প্রস্তাব আনা হয়, যা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

পৌনে তিন লাখ কোটি টাকার ব্যবস্থাপনার চাপে সরকার— আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে মোট ২ লাখ ৮৩ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকার সরকারি সিকিউরিটিজের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার কথা রয়েছে।

বিপুল অঙ্কের স্বল্পমেয়াদি সরকারি ঋণের একসঙ্গে বা কাছাকাছি সময়ে মেয়াদপূর্তি হলে সরকারের নগদ ব্যবস্থাপনা ও ঋণ পুনঃ অর্থায়নের ওপর চাপ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদেরা।

তবে মেয়াদপূর্তির পুরো অর্থ নতুন করে ঋণ নিয়ে পরিশোধ করতে হবে, এমনটি অবধারিত নয়। সরকারের রাজস্ব, নগদ স্থিতি এবং নতুন ঋণ ইস্যুর মাধ্যমে অর্থায়ন কৌশলের ওপর প্রকৃত চাপ নির্ভর করবে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেছেন, সরকারি সিকিউরিটিজ সাধারণত রিনিউ করা হয়। ফলে ঋণ করে ঋণ পরিশোধের মাধ্যমে বিদ্যমান স্টকটি বজায় থাকে। তবে ঘাটতি যদি চলতেই থাকে এবং নতুন অতিরিক্ত ঋণ যোগ হতে থাকে, তাহলে আর্থিক চাপ তৈরি হবে এবং নতুন সুদও যোগ হতে থাকবে।

কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— আমন্ত্রণ না পেলেও ইতিবাচক সরকার। এতে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার প্রসঙ্গ ওঠে এসেছে।

এখনো মক্কা প্যাক্টে যোগ দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি ঢাকা। তবে সদস্য দেশগুলোর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হলে বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

তবে এরই মধ্যে বাংলাদেশের এই জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে পক্ষে-বিপক্ষে চলছে নানা তর্ক-বিতর্ক।

বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির ব্যপ্তি, লাভ-ক্ষতি ও বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির কথা চিন্তা করেই এই জোটে যাওয়ার কথা ভাবতে হবে।

বাংলাদেশকে এই প্যাক্টে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কি না, সেটি এখনো স্পষ্ট নয়।

ফলে আমন্ত্রণ পাওয়ার আগেই বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদান, এর সুবিধা-অসুবিধা কিংবা ভবিষ্যৎ সামরিক দায়বদ্ধতা নিয়ে যে আলোচনা চলছে, সেটিকে অনেকটাই আগাম হিসাব-নিকাশ হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে এখন মোট বিদ্যুৎকেন্দ্র ১৩৭টি। এর মধ্যে ৬৪টি কেন্দ্র সরকারি, ৭০টি বেসরকারি এবং ৩টি কেন্দ্র ভারত ও চীনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও বিদ্যুৎ সঞ্চালন কোম্পানি পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) তথ্য বলছে, গতকাল বৃহস্পতিবার ৬২টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।

যার মধ্যে ২০টি বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ ছিল। বাকিগুলো সীমিত সক্ষমতায় উৎপাদন করেছে।

ফলে গতকাল দিনের বেলাতেই সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছে ৩ হাজার ৬৬৪ মেগাওয়াট।

দেশে এক মাসের বেশি সময় ধরে গ্যাসের তীব্র সংকট চলছে। প্রায় এক মাস ধরে চলছে লোডশেডিং। মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হলে লোডশেডিংয়ের মাত্রা কমে, গরম পড়লে এটি বেড়ে যায়।

শুরুতে লোডশেডিংয়ের পুরোটাই ঢাকার বাইরে চাপানো হয়েছে। তবে ১২ই অগাস্ট রাত থেকে সরকারি নির্দেশনায় ঢাকাতেও লোডশেডিং করা হচ্ছে।

দেশ রূপান্তরের প্রধান সংবাদ— মেগা বিদ্যুৎ প্রকল্পের পথেই সরকার

এই খবরে বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পথে হাঁটছে সরকার। এর মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের রেখে যাওয়া দুই মেগা প্রকল্পও রয়েছে।

মাতারবাড়ি ও পায়রাতে হবে দুইটি কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র। একই সঙ্গে ভোলায় নির্মাণ করা হবে দুইটি গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র।

২০২৪ সালের পাঁচই অগাস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর থেকে শেখ হাসিনা সরকারের বিদ্যুৎ নীতির কঠোর সমালোচনা চলছে। তবে এর মধ্যেই নতুন কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

পিডিবি ও বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র বলছে, এরই মধ্যে সরকার বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হতে পিডিবিকে নির্দেশ দিয়েছে।

দ্য বিজনেস স্ট্যার্ন্ডাডের দ্বিতীয় প্রধান খবর— Govt eyes 4,000MW from rooftop solar in one year; অর্থাৎ এক বছরের মধ্যে রুফটপ সোলার থেকে চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের।

এই খবরে বলা হয়েছে, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন দ্রুত বাড়াতে সরকার বাংলাদেশের রুফটপ সোলারের (ভবনের ছাদে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা) বাজারকে বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত করতে যাচ্ছে।

এর আওতায় এক বছরের মধ্যে চার হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত রুফটপ সোলার সিস্টেম স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

গত ১৯ই অগাস্ট অনুষ্ঠিত বিদ্যুৎ বিভাগের একটি সভার কার্যবিবরণী অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুতের ২০ শতাংশ বা সাড়ে পাঁচ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনারই অংশ এই উদ্যোগ।

২৫শে অগাস্ট বেসরকারি সৌরবিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর সাথে আয়োজিত পৃথক এক সভায় বিদ্যুৎ বিভাগ জানতে চেয়েছে কীভাবে দ্রুততম সময়ে চার হাজার মেগাওয়াট রুফটপ সোলার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব।

ওই সভায় উপস্থিত একটি সৌরবিদ্যুৎ কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এই খাতকে আকর্ষণীয় করে তুলতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদেরকে প্রথম ছয় মাসে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে সরকার।

নয়া দিগন্তের প্রধান খবর— প্রথম দিনেই উত্তপ্ত সংসদ

এই খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম কার্যদিবস গতকাল বৃহস্পতিবার সম্পূরক প্রশ্নোত্তরের সময় বিরোধী দলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের মন্তব্যে তুমুল হট্টগোল ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

বিরোধী দলের নেতাদের বক্তব্যকে 'শাহবাগ' ও 'পল্টনের বক্তৃতা'র সাথে তুলনা করার পর সংসদ কক্ষে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

বিরোধী দলের সদস্যদের প্রতিবাদ, মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার, নিঃশর্ত দুঃখ প্রকাশ এবং অসংসদীয় মন্তব্য হিসেবে তা সংসদীয় কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ করার দাবিতে বারবার স্থবির হয়ে পড়ে অধিবেশন।

একপর্যায়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদের ভবিষ্যৎ, গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা এবং সংসদ সদস্যদের আচরণ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

অপপ্রচার রোধে মাঠে থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর— মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর এটি।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার রোধে সরকারদলীয় এমপিদের মাঠে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারদলীয় সদস্যদের সভাকক্ষে বৈঠকে এ নির্দেশনা হয়।

একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, সার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবেলাকে প্রাধান্য দেওয়া হয় বৈঠকে।

বৈঠক সূত্র জানায়, বিদ্যুৎ ও সার সংকট বিষয়ে দলীয় এমপিদের ব্রিফ করেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা।

এদিকে, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া এবং দলের ভেতর যেন কোনো ধরনের কোন্দল তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রথম পাতার শিরোনাম— Silence of the strings: Attacks, vandalism cripple Bangladesh's music economy; অর্থাৎ সাংস্কৃতিক আয়োজনে বাধা: বাদ্যযন্ত্রের বাজার মন্দা।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, দুই বছর ধরে সারাদেশে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনে বাধা দেওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ লাইনসে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে মাদ্রাসা ছাত্ররা ভাঙচুর চালায়। একই দিনে কিশোরগঞ্জ পুরোনো স্টেডিয়ামে একটি ব্যান্ড শো'র আয়োজনে বাধা দেয় ইমাম-উলামা পরিষদ।

এসব ঘটনার সরাসরি ধাক্কা এসেছে বাদ্যযন্ত্রের ব্যবসায়।

রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোড, সায়েন্স ল্যাব, বসুন্ধরা সিটি কিংবা শাঁখারীবাজারের মতো বড় বাদ্যযন্ত্রের বাজারগুলোতে এখন নীরবতা।

একসময় যেখানে বিক্রেতারা ক্রেতাদের সামলাতে ব্যস্ত থাকতেন, সেখানে এখন দিনের পর দিন বেচাকেনা ছাড়া সময় পার করতে হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের মতে, দেশে কনসার্ট ও স্টেজ শো কমে যাওয়ার কারণেই বাদ্যযন্ত্রের বাজারে এই স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।

কনসার্ট বন্ধের প্রভাব পড়েছে শিল্পীদের রুজি-রোজগারেও।

খবরটিতে বলা হয়েছে, দেশের ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি, মাদক নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক সরকারি কার্যক্রম তদারকি এবং সমন্বয়ের দায়িত্ব ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে দেওয়া হয়েছে।

তারা সংশ্লিষ্ট জেলার উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমেও পরামর্শ দেবেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল বললেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা মাঠ প্রশাসনের দৈনন্দিন কাজে যদি অযাচিত হস্তক্ষেপ না করে, তাহলে এটা ভালো সিদ্ধান্ত। আর যদি অযাচিত হস্তক্ষেপ করা হয়, তাহলে সুফল মিলবে না। বরং জটিলতা তৈরি হবে।