আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'মব নিয়ন্ত্রণে আইন সংশোধনের চিন্তা'
সমকালের প্রধান শিরোনাম— মব নিয়ন্ত্রণে আইন সংশোধনের চিন্তা।
এই খবরে বলা হয়েছে, মব নিয়ন্ত্রণে আইন সংশোধন বা নতুন আইন প্রণয়নের কথা ভাবছে সরকার।
গতকাল রোববার পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, প্রচলিত আইন দিয়ে 'মব' পুরোপুরি মোকাবিলা সম্ভব হচ্ছে না। এ লক্ষ্যে আইন সংশোধন বা নতুন করে আইন করা প্রয়োজন হতে পারে।
উল্লেখ্য, চব্বিশের পাঁচই অগাস্টে গণঅভ্যুত্থানের পর দেশব্যাপী মবের ঘটনা বেড়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে মবের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হলেও বিভিন্ন স্থানে আইন হাতে তুলে নেওয়ার ঘটনা ঘটছে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সারাদেশে মবের ঘটনায় ৪৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
এর আগে, ২০২৫ সালে মবের ঘটনায় নিহত হন ১৯৮ জন।
মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির তথ্য বলছে, গত ১০ বছরের মধ্যে ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান সবচেয়ে ভীতিকর। ওই বছর ২০১টি গণপিটুনির ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৭৯ জন; আহত ৮৮ জন।
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা— কালের কণ্ঠের প্রধান খবর এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা লেগেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের টেক্সটাইল ও পোশাক খাতের দপ্তরের (অটেক্সা) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের মোট পোশাক আমদানি ছিল ৫৯৯ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় সাত দশমিক ৮০ শতাংশ কম। জানুয়ারি-মার্চ সময়ে দেশটির মোট আমদানি কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭৭৩ কোটি ডলারে, যা আগের বছরের তুলনায় ১১.৬৩ শতাংশ কম।
আর বাংলাদেশ থেকে গত মার্চে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৬৬ কোটি ৪৯ লাখ ডলার, যা মার্চ ২০২৫-এর তুলনায় আট দশমিক শূন্য আট শতাংশ কম। জানুয়ারি-মার্চ সময়ে রপ্তানি কমেছে আট দশমিক তিন আট শতাংশ এবং মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২০৪ কোটি ডলারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তা চাহিদা হ্রাস, উচ্চ সুদের হার এবং আমদানি ব্যয়ের অনিশ্চয়তা বৈশ্বিক পোশাক বাণিজ্যে চাপ সৃষ্টি করছে।
পাশাপাশি নতুন ট্যারিফ নীতি ও সরবরাহ শৃঙ্খলের জটিলতাও আমদানি প্রবাহকে প্রভাবিত করছে।
তবে, বাংলাদেশের প্রতিযোগী ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার মতো দেশ পোশাক রপ্তানিতে স্বাভাবিক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে, যা বাংলাদেশের পোশাক খাতসংশ্লিষ্টদের ভাবিয়ে তুলছে।
শুধু যে রপ্তানি কমছে তাই নয়, আরো উদ্বেগের বিষয় হলো দেশটিতে ক্রেতারা বাংলাদেশি পোশাকের দামও কম দিচ্ছেন।
প্রথম আলোর প্রধান খবর— সব শিশু টিকা পাচ্ছে না, হামে মৃত্যু ৪০০ ছাড়াল।
এই খবরে বলা হয়েছে, হামের সংক্রমণ ও মৃত্যু ঠেকাতে সরকার দেশজুড়ে টিকার ক্যাম্পেইন শুরু করলেও সব শিশু টিকার আওতায় আসছে না।
এই ক্যাম্পেইনে ১ কোটি ৮০ লাখ ১৬ হাজার ৯১৪ জন শিশুকে টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এই লক্ষ্যমাত্রার ৯৯ শতাংশ অর্জিত হয়েছে বলে দাবি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের।
তবে, টিকা থেকে বাদ পড়া শিশুদের সংখ্যা জানার চেষ্টা করা হয় র্যাপিড কনভিনিয়েন্ট মনিটরিং (আরসিএম) বা দ্রুত যাচাই পদ্ধতিতে। তা থেকে ইউনিসেফ বলছে, এখনো শহর এলাকায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ এবং গ্রাম এলাকায় ১৫ শতাংশ শিশু টিকা পায়নি।
এদিকে,এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ ও হামে ৪০৯ জনের মৃত্যুর তথ্য গতকাল রোববার জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
মির্জা আব্বাস অনেকটাই সুস্থ, নিতে হবে ফিজিওথেরাপি— মানবজমিনের প্রথম পাতার সংবাদ এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস এখন অনেকটাই সুস্থ।
তবে, কিছু সমস্যা রয়েছে, যা ধারাবাহিক চিকিৎসায় সেরে উঠবেন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
তিনি ঢাকা ও সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিয়ে এখন মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, মির্জা আব্বাস কথাবার্তা বলছেন, স্বাভাবিকভাবে খাদ্য গ্রহণ করেন।
এছাড়া, ঈদুল আজহার আগেই দেশে ফেরার পরিকল্পনা থাকলেও চিকিৎসার বিষয় বিবেচনায় আপাতত এই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে।
আজকের পত্রিকার প্রধান খবর— পুলিশের জঙ্গিবিরোধী ইউনিট থাকছে না।
এই খবরে বলা হয়েছে, জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ দমনে গঠিত ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) ও অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ) থাকছে না।
এই দুই ইউনিটকে একীভূত করে নতুন একটি ইউনিট করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
নতুন এই ইউনিটের নাম ঠিক করা হয়েছে স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট (এসএসইউ)। এর প্রধান হবেন একজন অতিরিক্ত আইজিপি।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সিটিটিসি ও এটিইউ গঠন করা হয়েছিল। সে সময় জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ দমনের নামে বিভিন্ন বিতর্কিত কার্যক্রম চালানো হয়। সিটিটিসি ও এটিইউর কার্যক্রমও প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
এ দুটি ইউনিটের বিরুদ্ধে অনেককে গোপন বন্দিশালায় আটক রাখারও অভিযোগ আছে।
এসব কারণে বর্তমান সরকার এ দুটি ইউনিটকে একীভূত করে নতুন একটি ইউনিট করার উদ্যোগ নিয়েছে।
নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর— আ'লীগের পুনর্বাসন নিয়ে কোনো চাপে নতি স্বীকার করবে না সরকার।
এতে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির পাশাপাশি আঞ্চলিক কূটনীতিতেও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির বিষয়ে দিল্লি যে বার্তা দিচ্ছে তা আওয়ামী লীগকে পুরোপুরি রাজনৈতিক দৃশ্যপট থেকে মুছে ফেলার বিপক্ষে ভারতের পরোক্ষ অবস্থান বলে মনে করছে বিশ্লেষকরা।
এদিকে, দেশটির পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরার মতো সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে বিজেপির রাজনৈতিক শক্তিবৃদ্ধি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন মাত্রার চাপ সৃষ্টি করেছে।
আবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবস্থান অনেকটা 'শর্তসাপেক্ষ'। একদিকে তারা বাংলাদেশে মানবাধিকার রক্ষা ও অবাধ নির্বাচনের কথা বলছে, অন্যদিকে তারা একটি স্থিতিশীল কাঠামো চায়।
পশ্চিমা কূটনীতিকদের ভাষায় 'ডি-এস্কেলেশন' এবং 'পলিটিক্যাল রিকনসিলিয়েশন' এর সুর শোনা যাচ্ছে। তবে তারা আওয়ামী লীগের অতীত শাসনের জবাবদিহিতা চায়।
এ অবস্থায় বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে, কোনো বিদেশি চাপ, বিশেষ করে ভারতের দিক থেকে, আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছে কি না।
যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বারবার স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কোনো ধরনের বহিরাগত চাপের কাছে নতি স্বীকার করার প্রশ্নই আসে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পুনর্বাসন বিতর্ক মূলত অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণের ফল।
বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর— লাভের আশা অপূর্ণই থাকছে কোরবানির আগে, কম দামে গরু ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন কৃষক।
এই খবরে বলা হয়েছে, এবারের বন্যায় হাওরের প্রায় সব কৃষকই কম-বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছেন।
এর মধ্যে পানি বেড়ে যাওয়ায় শুধু ধান ঘরে তোলার চেষ্টা করলেও খড় নিয়ে ভাবার সময় পাননি।
এতে গোখাদ্য সংকট তৈরি হয়েছে নেত্রকোনা ও সুনামগঞ্জ জেলায়।
বাধ্য হয়ে এসব এলাকায় এখন বাজার থেকে খড়, ভুসি ও অন্যান্য খাদ্য কিনতে হচ্ছে; যার দামও বেড়েছে কয়েক গুণ।
ফলে কোরবানির ঈদ সামনে রেখে লালন-পালন করা গরু আগেভাগেই কম দামে বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষক।
এতে তাদের লাভের আশা অপূর্ণই থাকছে, উল্টো লোকসান গুনতে হচ্ছে অনেককে।
দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম— সৌরবিদ্যুতে হঠাৎ বাড়াবাড়ি।
এই খবরে বলা হয়েছে, আগামী চার বছরে নতুন করে ১০ হাজার মেগাওয়াট বা ১০ গিগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই পরিমাণ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের স্বপ্ন আর বাস্তবতার মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভবিষ্যৎ জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় অবশ্যই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করতে হবে। কিন্তু এখন যে কেন্দ্রগুলো রয়েছে তার সঙ্গে সমন্বয় করে পরিকল্পনা সাজাতে হবে।
এমনটি না করা হলে জীবাশ্ম জ্বালানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দাম যোগ হয়ে বিদ্যুৎ খাতে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকির চাপ সৃষ্টি হবে। এমনকি দেশের বিদ্যুৎ সঞ্চালনব্যবস্থা আদৌ এই বিদ্যুতের প্রবাহ নিশ্চিত করতে পারবে কি না পরিকল্পনায় সেই বিবেচনাও করা হয়নি।
নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Lightning deaths persist as steps to calm aerial rage fail।
এই খবরে বলা হয়েছে, পদক্ষেপ সত্ত্বেও বজ্রপাতে মৃত্যু থামছে না। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরামের (এসএসটিএএফ) তথ্য অনুযায়ী, এই বছর ১০ই মে পর্যন্ত বজ্রপাতে অন্তত ৮৩ জন নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই কৃষক।
এর মধ্যে ২৬শে এপ্রিলেই বজ্রপাতে ১৪ জন নিহত হন, যা এই বছর একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যা।
যদিও বজ্রপাতে মৃত্যু কমানোর লক্ষ্যে বজ্রনিরোধক যন্ত্র স্থাপন, তালগাছ লাগানো এবং আগাম সতর্কতা জারি করার মতো বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও এগুলো দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কৃষকদের জীবন রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে।
২০১৬ সালে বজ্রপাতকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করা হলেও তা মোকাবেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এবং জনসাধারণের অবহেলাকে দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
এছাড়া, বজ্রপাতপ্রবণ এলাকায় 'বহুমুখী ছাউনি' নির্মাণের সরকারের সর্বশেষ পরিকল্পনা নিয়েও তারা সংশয় প্রকাশ করেছেন।
এদিকে, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিকের একটি গবেষণাপত্র অনুসারে, ২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বজ্রপাতে দেশে ৩,৬৫৮ জন মারা গেছেন।
ফাউন্ডেশন ফর ডিজাস্টার ফোরামের সদস্য সচিব গওহার নঈম ওয়ারার মতে, আগেও বজ্রপাত হয়েছে। তবে আগে ফসলের ক্ষেতের পাশে খেজুর, তালগাছ ছিল। সেগুলো বজ্রনিরোধক হিসেবে কাজ করত। কিন্তু কৃষি জমি বাড়ানোর জন্য গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। যার ফলে বজ্রপাতে কৃষকের ঝুঁকি বেড়েছে।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Tk 33,474cr Padma barrage set for govt nod; অর্থাৎ সরকারের অনুমোদনের অপক্ষোয় ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি টাকার পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প।
এই খবরে বলা হয়েছে, বহু প্রতীক্ষিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চলেছে সরকার।
২০৩৩ সালের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৫০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পটি দুই ধাপে বাস্তবায়ন হবে। যার মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ব্যয় হবে ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি টাকা।
এই প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য পাঁচটি প্রধান নদী ব্যবস্থাকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং পদ্মা নদীতে দুই হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ করা।
বাংলাদেশের প্রায় ৩৭ শতাংশ ভূমিজুড়ে বিস্তৃত চারটি বিভাগের ২৬টি জেলা ও ১৬৩টি উপজেলা পদ্মানির্ভর অঞ্চল— উজানে পানি সরানোর কারণে দীর্ঘদিন ধরে পানি সংকটে ভুগছে।
এই ব্যারেজটি কৃষি, মৎস্য, জীববৈচিত্র্য ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গত ৬ই মে এক বৈঠকে জিডিপিতে প্রকল্পটির সম্ভাব্য প্রভাব তুলে ধরে এটি বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। এতে প্রকল্পটি গতি পায়।