ভারতে এক জেলায় ছয় মাসে ২৯ জনের আত্মহত্যা কি বিয়ের পাত্রী না পেয়ে?

    • Author, আশেয় ইয়েগড়ে
    • Role, বিবিসি নিউজ মারাঠি
  • Published
  • পড়ার সময়: ৭ মিনিট

ভারতের মহারাষ্ট্রের জলগাঁও জেলায় গত ছয় মাসে ৩৮৩ জন পুরুষ আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে মহারাষ্ট্র পুলিশ। পুলিশ দাবি করেছে এর মধ্যে ২৯টা এমন ঘটনা আছে, যেখানে আত্মহত্যার কারণ বিয়ের জন্য পাত্রী না পাওয়া।

চলতি বছরের পহেলা জানুয়ারি থেকে ৩০শে জুন পর্যন্ত পাওয়া মহারাষ্ট্র পুলিশের এই পরিসংখ্যানে আত্মহত্যার নেপথ্যে থাকা কারণের মধ্যে মাদকের প্রতি আসক্তি, হতাশা, পারিবারিক সমস্যা এবং ঋণের মতো নানা বিষয় উঠে এসেছে।

এই পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আসার পর জলগাঁওয়ে বিয়ের জন্য পাত্রী না পাওয়ার বিষয়টা নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে।

মহারাষ্ট্ররের জলগাঁও জেলার গ্রামগুলোর দিকে নজর দিলে একটা জটিল চিত্র চোখে পড়বে।

বিয়ে করতে ইচ্ছুক এমন তরুণ, তাদের পরিবার, নারী এবং যারা এই নিয়ে গবেষণা করছেন সেইসব বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করলে এটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে বিষয়টা সরল নয়।

জলগাঁওয়ে বিয়েটা এখন আর শুধু সিদ্ধান্ত নয়। চাকরি, জমির মালিকানা, জাতি, পারিবারিক দায়িত্ব, অভিবাসন, বিয়ে সম্পর্কে নারীদের পরিবর্তিত ধারণা ও প্রত্যাশা এবং পুরুষদের উপর সামাজিক চাপ- এই সমস্ত মিলিয়ে বিয়ে ক্রমেই একটা জটিল বিষয় হয়ে উঠেছে।

'ঠিক বয়সে বিয়ে হওয়া দরকার'

জলগাঁওয়ে আমার সঙ্গে দেখা হয়েছিল বছর তিরিশের বিশাল পাতিলের। তিনি পেশায় অধ্যাপক। বিয়ের প্রসঙ্গে তিনি যেভাবে কথা বলছিলেন তাতে এ নিয়ে অন্যান্য যুবকদের অভিজ্ঞতা ও তাদের চিন্তা-ভাবনার একটা ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

মি. পাতিলের কথায়, "আমার বাবা-মাও চেয়েছিলেন আমি বিয়ে করি। যাইহোক, আমি এটা কিছুটা পিছিয়ে দিচ্ছি। আমি আমার কেরিয়ারে মনোনিবেশ করতে চাই এবং আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে চাই। আমি তখনই বিয়ে করব যখন আমি এমন এক নারীকে খুঁজে পাব যে আমাকে বুঝবে এবং আমার জন্য উপযুক্ত হবে।"

আমার সঙ্গে কথোপকথনের সময়ে মি. পাতিল উল্লেখ করেন, কীভাবে সমাজ বিয়ের জন্য একটা বিশেষ বয়স বেঁধে দিয়েছে।

তার কথায়, "ভারতীয় সমাজে আশা করা হয় যে ২৪-২৬ বছর বয়সের মধ্যে বা কমপক্ষে ২৮-২৯ বছরের মধ্যে একজনের বিয়ে হয়ে যাওয়া উচিত। কারো বয়স ৩০ বছর পেরিয়ে গেলে, তাকে লোকে অন্যভাবে দেখতে শুরু করে। এই চাপ শুধু বিয়ে না করার জন্য নয়। ধীরে ধীরে, এই ধারণাও তৈরি হতে পারে যেহেতু ওই ব্যক্তির এখনো বিয়ে হয়নি তাই তার মধ্যেই কিছু খামতি রয়েছে।"

মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে কাউন্সেলিং করেন এমন বিশেষজ্ঞ মি. মুকেশ ব্যাখ্যা করেছেন, যখন বিয়ের সঙ্গে সামাজিক মর্যাদা এবং সাফল্যের মতো বিষয়গুলো জুড়ে যায়, তখন অবিবাহিত তরুণদের মধ্যে অনেকেই বিয়ে না হওয়াকে নিজের বিফলতা বলে মনে করেন।

সাম্প্রতিক আত্মহত্যার ঘটনা সম্পর্কে জলগাঁও পুলিশ যে পরিসংখ্যান দিয়েছে তা খতিয়ে দেখার সময়ে এই বিষয়টাও মাথায় রাখা দরকার।

এই ২৯টা আত্মহত্যার ঘটনায় কারণ হিসেবে বিয়ের কথা উল্লেখ করা হলেও এটাই একমাত্র কারণ বলে মনে করছে না পুলিশ।

মাদকাসক্তি, ডিপ্রেশন, পারিবারিক চাপ এবং ঋণের মতো অন্যান্য কারণও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে অবিবাহিত থাকার আসল কারণগুলো যদি খতিয়ে দেখা হয়, তাহলে এই পরিসংখ্যানের আরো একটা দিক উঠে আসে।

নারীর তুলনায় পুরুষের সংখ্যা বেশি

মহারাষ্ট্রের এই পরিসংখ্যান একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলকপাত করে।

২০১৯-২০২১ সালের ন্যাশানাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভের (এনএফএইচ- ফাইভ) তথ্য অনুসারে, মহারাষ্ট্রে ২০ থেকে ৪৯ বছর বয়সের প্রায় ১১ শতাংশ নারী অবিবাহিত। পুরুষের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটা ৩০ শতাংশ।

অর্থাৎ ওই রাজ্যে অবিবাহিত পুরুষদের সংখ্যা নারীদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। কিন্তু নারীর সংখ্যা কম থাকাটাই কি এই পার্থক্যের একমাত্র কারণ?

জলগাঁওয়ের কৌস্তুভ পোটদারের ঘটনা এই সমস্যার গুরুতর দিকটা তুলে ধরে।

বি ফার্ম ডিগ্রি লাভ করার পর তিনি নাসিকের একটা বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করতেন। মায়ের মৃত্যুর পর বিয়ের জন্য পাত্রী খোঁজার কাজ শুরু করে তার পরিবার। কিন্তু নিজের বাড়ি বা সরকারি চাকরি না থাকায় বিভিন্ন পাত্রী পক্ষের কাছ থেকে বারবার 'না' শুনতে হয় তাকে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আত্মহত্যা করেন তিনি।

তবে কৌস্তুভ পোটদারের ঘটনা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য যথেষ্ট নয় যে প্রতিবারই এই একটা কারণেই বিয়ের সম্বন্ধে না শুনতে হয় পাত্রপক্ষকে। তবে তার ঘটনা এটা তুলে ধরে যে বিয়ের ব্যাপারে পুরুষদের আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং পারিবারিক কাঠামোর মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।

'পাকা বাড়ি বানালে তবেই পাত্রী পাব'

জলগাঁওয়ে এক প্রবীণ নারী আমাকে বলেছিলেন তার ছেলের বয়স এখন ৪০ বছর। তিনি বহু বছর ধরে ছেলের বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজছেন। পাত্রীপক্ষের কাছে বারবার 'না' শোনার পর, তিনি এখন নিজেই একটা পাকা বাড়ি বানাচ্ছেন।

তার একটাই আশা, "বাড়ি তৈরি হয়ে গেলে (ছেলের জন্য) পাত্রী পাব।"

ছেলে অবিবাহিত থাকা নিয়ে তার উদ্বেগ ছিল বটে, তবে সেটা ছাপিয়ে একটা অসহায় ভাব ফুটে উঠছিল তার কথায়। কারণটা সম্ভবত, বছরের পর বছর চেষ্টা করেও পরিস্থিতি যে বদলাচ্ছে না!

মহারাষ্ট্রের গ্রামাঞ্চল নিয়ে গবেষণা করছেন ময়ূর কুডুপলে এবং জোয়েল কাবালিয়ান। তাদের গবেষণা থেকেও এই বদলের প্রতিফলন স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

তাদের গবেষণা বলছে, গ্রামে বিয়ের ক্ষেত্রে নারীদের পছন্দকে প্রভাবিত করে যে বিষয়গুলো তার মধ্যে রয়েছে- জমি, শিক্ষা, জাতি ও পাত্রের বয়স।

ময়ূর কুডুপলের কথায়, "একটা সময় ছিল যখন মেয়ের বাবা খতিয়ে দেখতেন পাত্র কতটা জমির মালিক। এখন জমির চেয়ে তার চাকরি আছে কি না সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।"

"গ্রামাঞ্চলের অর্থনীতি বদলেছে, কিন্তু এই পরিবর্তনের সঙ্গে বিয়ে নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা সমানভাবে বদলায়নি। এক সময়ে জমিকে সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার লক্ষণ বলে ধরা হতো। এখন তার পরিবর্তে নিয়মিত আয়, কর্মসংস্থান, শহরে বসবাসের সম্ভাবনা এবং নিজস্ব বাড়ি থাকার মতো বিষয় এসেছে।"

বদলে যাচ্ছে বিয়ে নিয়ে প্রত্যাশা

এই সবের মাঝেও 'জাতি' এখনো একটা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ময়ূর কুডুপলের মতে, "জাতি ও উপজাতির মতো বিষয় বিয়ের বাজারে মানুষের পছন্দ এবং পরিধিকে সীমাবদ্ধ করে তোলে। আমরা যখন পাত্র-পাত্রীর সন্ধান করি, তখন প্রায়শই আমাদের নিজস্ব জাতি ও উপজাতির মধ্যেই তাদের খুঁজি।"

লিঙ্গ সমতা প্রশিক্ষক দর্শনা পাওয়ার এই জাতি-ভিত্তিক কাঠামো সম্পর্কে আরও একটা বৈপরীত্য তুলে ধরেছেন।

তিনি বলছিলেন, "যদি কোনো পুরুষ (বিয়ের) প্রয়োজন বোধ করেন, তাহলে তিনি যে কোনো জাতির নারীকেই বিয়ে করতে রাজি হতে পারেন। কিন্তু সেই (নারীর) জাতি কি সত্যিই তার বাবা-মা এবং আত্মীয়স্বজন মেনে নেবেন?"

তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, বাস্তবে বিয়ের ক্ষেত্রে জাতি-ভিত্তিক বিষয়গুলো এখনো অদৃশ্য হয়ে যায়নি, প্রকৃতি পরিবর্তিত হয়েছে মাত্র।

বিয়ে নিয়ে নারীদের প্রত্যাশা

জলগাঁওয়ে পুরুষদের সঙ্গে বিয়ে সম্পর্কে কথা বলার সময়ে আমি একটা অভিযোগ প্রায়ই শুনেছি যে বিয়ে নিয়ে নাকি 'নারীদের প্রত্যাশা বেড়ে গিয়েছে'।

অনেকে মনে করেন নারীরা এমন একজন পুরুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে চান যিনি চাকরি করেন, যার শহরে একটা বাড়ি রয়েছে এবং যিনি আর্থিকভাবে স্থিতিশীল।

তবে নারীদের সঙ্গে কথা বলার সময়ে অন্য এক ছবি ফুটে উঠেছে। বিয়ে এবং ব্যক্তিগত প্রত্যাশা নিয়ে ২০-২২ বছরের এক তরুণীর সঙ্গে আমরা কথা বলেছিলাম।

তবে সাক্ষাৎকারের পরের দিন তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয় সেই কথোপকথন প্রতিবেদনে ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থাৎ নারীদের প্রত্যাশা পাল্টে গিয়েছে, কিন্তু সে বিষয়ে খোলাখুলি কথা বলার স্বাধীনতা সবার নেই।

দর্শনা পাওয়ার বলেন, "স্বামীর সঙ্গে কথা বলা, বাইরে একসঙ্গে সময় কাটাতে পারা নিয়ে আশা করাটা ভুল নয়। এটা বাড়াবাড়ি রকমের এক্সপেক্টেশন নয়, মৌলিক এবং যুক্তিসঙ্গত আকাঙ্ক্ষা। এই নিয়ে এখন সচেতনতা বাড়ছে এই যা।"

জলগাঁওয়ে আমরা যাদের সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের বেশিরভাগই বিয়ে না হওয়ার জন্য শুধু নারীদেরই দোষারোপ করেছেন।

ময়ূর কুডুপলের গবেষণায় বিয়ে নিয়ে গ্রামের পুরুষ ও নারীদের পছন্দে বদল প্রসঙ্গেও একই ধরনের অভিযোগ উঠে এসেছে।

তবে গবেষণায় নারীদের পছন্দের ক্ষেত্রে যে পরিবর্তনগুলো চোখে পড়েছে তা শুধু প্রত্যাশার বদল বলে বিবেচনা করা যায় না।

এর পেছনে রয়েছে একাধিক বিষয় যেমন কৃষিকাজ কমে আসা, বেকারত্ব, শিক্ষা সম্পর্কে পরিবর্তিত চিন্তা-ভাবনা, জাতি ও সামাজিক অবস্থান।

পুরুষের অবস্থান কী?

জলগাঁও জেলার গ্রামগুলো ঘুরে আমরা যখনই বিয়ে নিয়ে কথা বলেছি পুরুষদের কথার সুর বদলেছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি।

একজন যুবক আমাকে স্পষ্টভাবে বলে দেন, "আমি যদি ক্যামেরার সামনে নিজের কথা বলি, তাহলে কে আমাকে বিয়ে করবে?"

অনেক পরিবার তাদের ছেলেদের বিয়ে করার জন্য চাপ দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে, কারণ তারা নিজেরাও বছরের পর বছর ধরে চেষ্টা করার পর বিফল হয়ে আশা ছেড়ে দিয়েছে।

তবে কিছু পরিবার এখনো হাল ছাড়েনি। এদের অনেকে এখন বাড়ি তৈরি করছে, জমি কিনছে বা তাদের ছেলেদের জন্য পাত্রী পেতে নিজেদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি করার চেষ্টা করছে। অনেক পরিবার এখন বিয়ের জন্য ঘটকদের দিকে ঝুঁকেছে। তবে অভিভাবকদের একাংশের মতে, বিয়ের আয়োজনের নামে প্রতারণার ঘটনাও বেড়ে গিয়েছে।

কিছু পুরুষ জীবনসঙ্গীর সন্ধানে মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়েছেন। শুধু তাই নয়, পাত্রী পেতে কিছু পরিবার অর্থও দিতে রাজি হয়ে যায়।

পাত্র-পাত্রীর সন্ধান পেতে এখন আত্মীয়স্বজনদের কাছে খোঁজ খবর করার প্রথাগত বৃত্ত ছাড়িয়ে বিষয়টা এখন মধ্যস্বত্বভোগী, টাকার লেনদেন এবং প্রত্যন্ত জেলায় চলে যাওয়ায় যাওয়ার মতো ঘটনায় গিয়ে পৌঁছেছে।

কন্যাভ্রূণ হত্যা থেকে বিয়ের ব্যবস্থায় বদল

এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করেছেন দর্শনা পাওয়ার। তার কথায়, "গত কয়েক দশকে বড় আকারের কন্যা ভ্রূণ হত্যার প্রভাব আজ বিবাহযোগ্য বয়সের পুরুষ প্রজন্মের মধ্যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।"

"৩০-৩৫ বছরের পুরুষ যারা এখনো নিজেদের জীবনসঙ্গী খুঁজে পাননি তারা এমন এক সময়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন যখন প্রচুর সংখ্যক কন্যা ভ্রূণ নষ্ট করা হয়েছে। তবে মেয়েদের সংখ্যা কমে যাওয়ার অর্থ এই নয় যে, নারীদের এখন বিয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে।"

ময়ূর কুদুপালে এবং জোয়েল কাবালিয়ানের গবেষণা বলছে, নারীদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও পারিবারিক প্রত্যাশা, জাতি এবং সামাজিক কাঠামোর মতো বিষয় আজও তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করে।

অন্যদিকে, চাকরি, আয়, বর্ণ, পারিবারিক প্রত্যাশা এবং বিয়ের ব্যবস্থা নিয়ে প্রত্যাশার পরিবর্তনের মাঝেই পুরুষরাও নিজেদের জায়গা খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছেন।

বিশাল পাতিল অবশ্য বলেছেন, "বিয়েই জীবনের সবকিছু নয়।"

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

মানসিক চাপ, হতাশা বা অন্যান্য মানসিক সমস্যার সম্মুখীন হলে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া উচিত।

আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি মানসিক সমস্যায় পড়ে থাকেন বা তার লক্ষণ অনুভব করেন তাহলে সরকারি হেল্পলাইনে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা আত্মীয় - বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।