পত্রিকা: হাম পরিস্থিতি, 'পরীক্ষার কিট শেষ, উদ্যোগে ঘাটতি'

পত্রিকা
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

বাংলাদেশে হাম পরীক্ষার কিট (সরঞ্জাম) আছে মাত্র সাতটি। এসব কিট দিয়ে সর্বোচ্চ ৬৩০টি রক্তের নমুনা পরীক্ষা করা যাবে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর শুরু হওয়া সহিংসতায় তিন জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ভারতের সঙ্গে পানিবণ্টন চুক্তির জন্য অপেক্ষায় থাকতে চায় না সরকার। বুধবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত আজকের সংবাদপত্রগুলোতে এসব খবর গুরুত্ব পেয়েছে।

খবরে বলা হচ্ছে, দেশে হামের পরীক্ষা হয় শুধু রাজধানীর মহাখালীতে জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরীক্ষাগারে (ল্যাবরেটরি)। আর কোথাও এমন ব্যবস্থা নেই।

কিন্তু সেই পরীক্ষাগারে হাম পরীক্ষার কিট (সরঞ্জাম) আছে মাত্র সাতটি। এসব কিট দিয়ে সর্বোচ্চ ৬৩০টি রক্তের নমুনা পরীক্ষা করা যাবে। বর্তমান হারে নমুনা পরীক্ষা করলে ছয় দিনের মধ্যে এগুলো শেষ হয়ে যাবে।

গত এপ্রিল থেকেই পরীক্ষাগারে কিটের সংকট প্রকট হচ্ছিল। কিন্তু জরুরি ভিত্তিতে উদ্যোগের ঘাটতির কারণে এখন পর্যন্ত নতুন জোগান তৈরি হয়নি। ফলে নতুন কিট না এলে ১১ই মের পর দেশে হামের নমুনা পরীক্ষা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে।

প্রতিদিন সারা দেশ থেকে গড়ে ৩০০ রোগীর নমুনা পরীক্ষার জন্য জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরীক্ষাগারে আসে। এরই মধ্যে ৭ হাজার ৭৫৮টি নমুনা জমা হয়ে রয়েছে পরীক্ষার জন্য। ফলে দ্রুতই আরও সংকটময় রূপ নেবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হামের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এটিকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত একটি সমন্বিত চিকিৎসা প্রটোকল প্রস্তুত করা যেত।

সমকাল

'পশ্চিমবঙ্গে ভোটের পর সংঘাতে নিহত ৩' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর শুরু হয়েছে সহিংসতা। জেলায় জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া হামলায় বিজেপির একজন ও তৃণমূলের দুই কর্মী নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

রাজ্যের এই অশান্তির মধ্যে ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে পদত্যাগ না করার ঘোষণা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২৩ ও ২৯শে এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। গত সোমবার রাজ্যের ফল ঘোষণা করা হয়।

খবরে বলা হয়েছে, রাজ্যের ২৯৪ টি আসনের মধ্যে ২৯৩ আসনের ফলে বিজেপি জিতেছে ২০৭ টি, আর তৃণমূল জিতেছে ৮০ টি আসন। এ ছাড়া সিপিএম জিতেছে ১ টি আসন এবং কংগ্রেস জিতেছে ৩ টি। অন্যরা জেতে ৩ টি।

একটি আসনে পুনরায় ভোট হবে। এ ফল ঘোষণা এবং ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যাপকভাবে জোরদার করা হয়। এরপরও থেমে নেই সংঘাত।

আজকের পত্রিকা

'মিলেমিশে চাঁদাবাজি মিরপুরে' প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে ১০ নম্বর সেকশনের দিকে যেতে রাস্তার ওপর ও ফুটপাতে শত শত দোকান বসে। একটু সামনেই কয়েকটি স্কুল।

সেগুলোর আশপাশের রাস্তা, গলির সড়ক ও ফুটপাত দখল করে বসে দোকানের পর দোকান। দেখলে মনে হবে যেন পুরোটাই বিপণিবিতান।

রাস্তাগুলো সিটি করপোরেশনের। দোকান হকারের। কিন্তু সেখান থেকে টাকা তোলেন স্থানীয় বিএনপির কিছু নেতা-কর্মী ও সন্ত্রাসী।

দিনের পর দিন পুলিশের চোখের সামনেই দোকানগুলো বসছে। চাঁদার কথাও থানা-পুলিশের অজানা নয়। কিন্তু দোকান উচ্ছেন অথবা চাঁদাবাজি বন্ধ হয় না। অনেকটা মিলেমিশে চাঁদাবাজি চলছে।

ঢাকার চাঁদাবাজদের নিয়ে সম্প্রতি পুলিশ যে তালিকা করেছে তাতেও বলা হয়েছে, চাঁদাবাজির সুযোগ দিয়ে পুলিশের কিছু কর্মকর্তা টাকার ভাগ পান। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীতে চাঁদাবাজির স্পট (জায়গা) ও চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি করেছে গত মার্চে।

প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, তিস্তার পানি তিস্তাপারের মানুষের 'বাঁচা-মরার' বিষয় উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেছেন, ভারতের সঙ্গে পানিবণ্টন চুক্তির জন্য অপেক্ষায় থাকতে চায় না সরকার।

বরং এই প্রান্তের উন্নয়ন প্রকল্প এগিয়ে নিতে চীনের সঙ্গে আলোচনা চালাতে আগ্রহী। ভারত থেকে পুশ ইনের ঘটনা ঘটলে বাংলাদেশ ব্যবস্থা নেবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

গতকাল মঙ্গলবার চীন সফরে যাওয়ার আগে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপি সরকারের এই অবস্থানের কথা তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের তিস্তা প্রকল্প নিয়ে বেইজিং সফরে 'অবশ্যই' আলোচনা হবে।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাধায় ২০১১ সাল থেকে আটকে থাকা তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তির বিষয়ে ঢাকার আশা নিয়ে এক প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ভারতের উদ্যোগের জন্য ঢাকা বসে থাকতে চায় না।

কালের কণ্ঠ

খবরে বলা হচ্ছে, দেশের ভোগ্যপণ্য বাজারের শীর্ষস্থানীয় কনগ্লোমারেট 'সিটি গ্রুপ'। প্রয়াত শিল্পোদ্যোক্তা ফজলুর রহমানের হাতে গড়ে ওঠা এ গ্রুপের অধীনে রয়েছে ৪০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান।

প্রতিষ্ঠার পর ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করা গ্রুপটি এখন আর্থিক চাপের মুখে পড়েছে। বৈশ্বিক ও স্থানীয় নানা সংকটের কারণে গ্রুপের কোম্পানিগুলোর ব্যাংক ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে নীতি সহায়তা চেয়ে লিখিত আবেদন করেছে গ্রুপটি। আবেদনে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঋণ শ্রেণীকরণ (খেলাপি) না করাসহ সাত ধরনের নীতিসহায়তা চাওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর বরাবর লেখা আবেদনে সিটি গ্রুপ উল্লেখ করেছে, চার বছর ধরে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা সংকটের প্রভাবে গ্রুপটি তীব্র আর্থিক ও পরিচালনাগত চাপের মুখে পড়েছে।

বণিক বার্তা

খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় গত ১২ই ফেব্রুয়ারি। ওই নির্বাচনে কী ধরনের ত্রুটি, বিচ্যুতি, সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ ছিল-তা এখন খুঁজছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে নির্বাচনের সময়ে সংঘটিত সুনির্দিষ্ট ঘটনাকে ঘিরে নিয়ে নয়, আইনি ও পদ্ধতিগত যেসব সমস্যা ও দুর্বলতা রয়েছে সেগুলো চিহ্নিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এসব সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সেই প্রস্তাবনাও তৈরি করা হচ্ছে।

ইসির অনুসন্ধানে এ পর্যন্ত অন্তত ২৫ ক্যাটাগরিতে প্রায় একশো সমস্যা উঠে এসেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-যোগ্য রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সংকট, আচরণবিধি ভঙ্গের প্রবণতা ও তা ঠেকাতে আইন প্রয়োগে শিথিলতা।

ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগে রাজনৈতিক প্রভাব, বাস্তবে কার্যক্রম নেই এমন নামসর্বস্ব রাজনৈতিক দলের নির্বাচনে আধিক্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে দলীয় মনোভাব। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

যুগান্তর
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

নিউ এইজের শিরোনাম 'New 500-bed neuroscience hospital annexe lies idle' অর্থাৎ 'নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের ৫০০ শয্যার নতুন ভবন অব্যবহৃত পড়ে আছে'।

খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালের নবনির্মিত ৫০০ শয্যার বর্ধিত ভবনটি উদ্বোধনের কয়েক মাস পরেও অব্যবহৃত পড়ে আছে। অথচ রোগীরা শয্যা এবং গুরুতর স্নায়বিক চিকিৎসার জন্য হিমশিম খাচ্ছেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনবল সংকট এবং বাজেট বরাদ্দের অভাবে ভবনটি এখনো পুরোপুরি চালু করা যায়নি। ফলে সিটি স্ক্যান, এমআরআই ও অন্যান্য রেডিওলজি মেশিনসহ ৩৬ শয্যার একটি নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট (আইসিইউ) এবং ২৪টি অস্ত্রোপচার-পরবর্তী শয্যার মতো মূল্যবান সরঞ্জামগুলো বেশিরভাগই অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।

জানা গেছে, নতুন ভবনটি পুরোপুরি চালু না হওয়ায় শয্যা সংকটের কারণে প্রতিদিন অন্তত ২৫-৩০ জন রোগীকে অন্য হাসপাতলে পাঠাতে হচ্ছে।

হাসপাতলের উপ-পরিচালক মো. ফজলুল হকের মতে, প্রতিষ্ঠানের জন্য অনুমোদিত ১,৪৬১টি পদের মধ্যে ১,২৮৮টি পদ শূন্য রয়েছে। ৪৪৩ জন চিকিৎসকের চাহিদার বিপরীতে মাত্র ৩১ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মাত্র ৮৬ জন নার্স ও নার্সিং সুপারভাইজার রয়েছে। সহায়ক কর্মীদের জন্য নির্ধারিত ৫৫৯টি পদের সবগুলোই খালি রয়েছে।

নিউ এইজ

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'Fund crunch squeezes free meds for poor' অর্থাৎ 'তহবিল ঘাটতিতে দরিদ্রদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ সংকুচিত হচ্ছে'।

খবরে বলা হচ্ছে, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের দেশের হাজার হাজার রোগী বিনামূল্যে ওষুধ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থাকা অসংক্রামক রোগ (এনসিডি) বুথে রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা হয়।

পাশাপাশি বিনামূল্যে পাঁচ ধরনের ওষুধ বিতরণ করা হয়। তহবিল সংকটের কারণে সেখানে সরবরাহের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, মার্চ মাস পর্যন্ত এই কেন্দ্রগুলোতে উচ্চ রক্তচাপের ৯ লাখ ১৮ হাজার এবং ডায়াবেটিসের ৭ লাভ ৩১ হাজার রোগী নিবন্ধিত আছেন। ২০১৮ সালে এনসিডি কর্নার কর্মসূচি চালু করে। বর্তমানে ৪১৬টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৩০টি জেলা হাসপাতালে এই পরিষেবা চালু রয়েছে।

যদিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে কতগুলো এনসিডি কর্নার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই। তবে বিভিন্ন জেলার আটটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে বেশিরভাগই ওষুধের ঘাটতিতে ভুগছে। এ ধরনের অন্তত ২৫টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র রোগীদের এক মাসের ওষুধ সরবরাহ করতে পারছে না।

গত ১৬ই মার্চ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে দেওয়া এক চিঠিতে জরুরি তহবিল হিসেবে ১০০ কোটি টাকা চেয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

দ্য ডেইলি স্টার

'সৌদির শ্রমবাজারে অস্থিরতা' নয়াদিগন্তের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, সৌদি আরবের শ্রমবাজার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বৈধ কাগজপত্র-এমনকি আকামা থাকার পরও কর্মীদের পুলিশি হয়রানি ও গ্রেফতারের অভিযোগ সামনে আসছে। কাজের অনিশ্চয়তা, আইনি জটিলতা এবং প্রশাসনিক কড়াকড়ির কারণে অনেক প্রবাসী বাংলাদেশী চরম দুর্ভোগের মুখে পড়ছেন।

সম্প্রতি সৌদি আরবের 'সফর জেল' থেকে দেশে ফেরত আসা এক মধ্যবয়সী কর্মী ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের কাছে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি জানান, "আকামা থাকার পরও কাজ পাওয়া যাচ্ছে না। আবার কাজ পেলেও পুলিশ হয়রানি করছে।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য বলছে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার সৌদি আরব। বিদেশে যাওয়া মোট কর্মীর প্রায় অর্ধেকই এই দেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে যান। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি সরকারের কঠোর নীতির কারণে কর্মী পাঠানোর হার কমে গেছে।

বিশেষ করে 'তাকামল সার্টিফিকেট' বাধ্যতামূলক করার পর নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এই সার্টিফিকেটের মাধ্যমে কর্মীর দক্ষতা যাচাই করা হলেও, বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে বেতন বা কাজের নিশ্চয়তা বাড়ছে না।

নয়াদিগন্ত

খবরে বলা হচ্ছে, আগামী এক বছরের মধ্যে স্থানীয় সরকারের সব পর্যায়ে নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের অধিবেশনে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা চাই, চেষ্টা করবো এক বছরের মধ্যে আগামী সমস্ত টায়ারগুলোতে নির্বাচন হয়ে যাওয়ার জন্য।

স্থানীয় পর্যায়ে অবকাঠামোগুলোর উন্নয়ন নিয়ে কোনো পরিকল্পনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা এই পদক্ষেপ নিচ্ছি। আমরা স্থানীয় সরকারের যে রাস্তাঘাটের কথা বলছেন- স্থানীয় সরকারের শুধু রাস্তাঘাট কাজ নয় কিন্তু।

স্থানীয় সরকারের রাস্তাঘাট আছে, স্থানীয় সরকারের আপনার পানি সরবরাহ আছে, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যাপার আছে- একইসঙ্গে আপনার প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার ব্যাপারও কিন্তু স্থানীয় সরকারের রয়েছে।

মানবজমিন