পত্রিকা: 'হাম সংকটের পেছনে অন্তর্বর্তী সরকারের গাফিলতি'

দ্য ডেইলি স্টারের খবর- Interim govt's missteps behind measles crisisঅর্থাৎ হাম সংকটের পেছনে অন্তর্বর্তী সরকারের গাফিলতি।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু সিদ্ধান্তগত ভুল ও অব্যবস্থাপনার কারণে দেশে হামের বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৯৪ জন শিশু মারা গেছে বলে জানা গেছে, যদিও সন্দেহভাজন মৃত্যুও এতে অন্তর্ভুক্ত।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ৬১টি জেলায় এখন পর্যন্ত ৪৫ হাজারের বেশি সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত রোগী শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণ এখনও ছড়িয়ে পড়ছে এবং মৃতের সংখ্যা বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগে সফল হিসেবে স্বীকৃত টিকাদান কর্মসূচিতে পরিবর্তন আনার চেষ্টা, টিকা সংগ্রহে দেরি এবং সরবরাহ ঘাটতির কারণে এই সংকট তৈরি হয়েছে। এর সঙ্গে নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অসন্তোষ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও জানিয়েছে, ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালে টিকা সংকট এবং নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত হওয়ায় এই প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ আকার নিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগে থেকে সতর্কতা দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

নয়া দিগন্ত পত্রিকার খবর- অভিবাসন ব্যয়ে নিঃস্ব বিদেশগামীরা
বাংলাদেশ থেকে কাজের আশায় বিদেশে যাওয়া অনেক শ্রমিকের জন্য অভিবাসন প্রক্রিয়াটি হয়ে উঠছে কষ্টকর। অভিযোগ রয়েছে, সরকার নির্ধারিত ব্যয়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি টাকা খরচ করে বিদেশে যেতে হচ্ছে তাদের। ফলে বিদেশে গিয়ে আয় করেও অনেকের কয়েক বছর সময় লাগছে শুধু খরচ তোলার জন্য।
বিদেশে যাওয়ার পথে দালালচক্রের ভূমিকা বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। অনেক শ্রমিক ভিসা জটিলতা, কাজ ও বেতন না পাওয়া এবং আইনি সমস্যার মুখে পড়ছেন। এসব সমস্যার কারণে কেউ কেউ কারাগারেও যাচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যাওয়া শ্রমিকদের বড় অংশই এই অতিরিক্ত ব্যয়ের শিকার হচ্ছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দালালনির্ভর নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং সীমিত সুযোগের কারণে খরচ বেড়ে যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে হলে সিন্ডিকেটমুক্ত প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা এবং অভিবাসন ব্যয় কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। একই সঙ্গে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর নজরদারির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

End of বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন:

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর- বাংলাদেশকে মানতে হবে ১৩১ শর্ত, যুক্তরাষ্ট্রকে ৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সই হওয়া একটি বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে দেশে আলোচনা তৈরি হয়েছে। চুক্তির ভাষা বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এতে বাংলাদেশের ওপর বাধ্যতামূলক শর্ত অনেক বেশি রাখা হয়েছে, তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের দায় কম। ৩২ পৃষ্ঠার এই চুক্তিতে 'শ্যাল' শব্দটি ১৭৯ বার ব্যবহার হয়েছে, যার মধ্যে ১৩১ বারই বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
চুক্তিটি গত ৯ ফেব্রুয়ারি সই হয় জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত পাল্টা শুল্ক সংক্রান্ত একটি সিদ্ধান্ত বাতিল করে। যদিও চুক্তিটি এখনো কার্যকর হয়নি, তবুও এর বিভিন্ন শর্ত নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও অর্থনীতিবিদদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
মূল চুক্তিতে শুল্ক, কোটা এবং অশুল্ক বাধা নিয়ে বিস্তারিত শর্ত রয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য আমদানিতে বাংলাদেশ এমন কোনো নিয়ম আরোপ করতে পারবে না, যা বাণিজ্যে বাধা সৃষ্টি করে। আন্তর্জাতিক মান পূরণ করলে মার্কিন পণ্য সহজেই বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারবে।
এ ছাড়া চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্যের জন্য বাংলাদেশি বাজারে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের শর্ত ভবিষ্যতে দেশের বাণিজ্য নীতি ও স্থানীয় শিল্পের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

বণিক বার্তা পত্রিকার আজকের প্রধান খবর- দেশের আমদানি-রফতানি দুই খাতেই মন্দা
চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে দেশের পণ্য রফতানিতে পতনের চিত্র দেখা গেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে মোট রফতানি কমেছে ২ দশমিক ০২ শতাংশ। সবচেয়ে বড় খাত তৈরি পোশাকের রফতানি কমেছে ২ দশমিক ৮২ শতাংশ, আর কৃষিজ পণ্যেও কমেছে ৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ।
রফতানির পাশাপাশি আমদানিতেও ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে, ভোগ্যপণ্য, মূলধনি যন্ত্রপাতি ও শিল্প কাঁচামাল আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলা কমেছে। বিশেষ করে ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্র কমে যাওয়ায় রফতানিমুখী শিল্পে অর্ডার কমার ইঙ্গিত মিলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক বাজারে চাহিদা কমে যাওয়া, জ্বালানি সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং ডলারের অস্থিরতা এ পরিস্থিতির পেছনে বড় কারণ। ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ায় তৈরি পোশাক খাত সরাসরি প্রভাবিত হয়েছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আমদানি ও রফতানি দুই খাতেই এই নিম্নমুখী প্রবণতা দেশের অর্থনীতির জন্য সতর্কবার্তা। বিনিয়োগে ধীরগতি, উৎপাদন কমে যাওয়া এবং ভবিষ্যৎ শিল্পায়নেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মানবজমিন পত্রিকার খবর- জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করা হবে
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে এক জাতীয় কনভেনশন থেকে। আয়োজকদের অভিযোগ, নির্বাচনের আগে দেওয়া সংস্কারের প্রতিশ্রুতি থেকে সরকার সরে এসেছে এবং এতে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। রাজধানীর কাকরাইলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে এমন বক্তব্য উঠে আসে।
আলোচনায় অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কথা বললেও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট অবস্থান নেয়নি। এতে সংস্কার প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে বলে তাদের মত।
সমাপনী বক্তব্যে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশে দীর্ঘদিন ধরেই গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি। তার মতে, ক্ষমতায় গেলে সরকারগুলো সংবিধান নিজেদের মতো পরিবর্তন করে, তাই একটি ভারসাম্যপূর্ণ কাঠামো প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, সংবিধান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের ব্যবস্থা রাখা, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা এবং সর্বদলীয় গ্রহণযোগ্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনসহ বিভিন্ন বিষয় ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা দরকার।

আজকের পত্রিকার খবর- সহযোগিতা - বিরোধিতার মিলমিশের সংসদ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শেষ হয়েছে ২৫ কার্যদিবস শেষে। এ সময় রাষ্ট্রীয় সংস্কার, সংবিধান এবং মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ইস্যুতে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে তর্কবিতর্ক দেখা গেছে। তবে জ্বালানি সংকটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতেও দেখা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই অধিবেশনে সংঘাতের পাশাপাশি সমঝোতার কিছু ইতিবাচক দিকও সামনে এসেছে। সংসদীয় গণতন্ত্রে মতভেদ থাকলেও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সমন্বয় হওয়াকে তারা ভালো লক্ষণ হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে জ্বালানি সংকট নিয়ে যৌথ কমিটি গঠনকে সহযোগিতার উদাহরণ বলা হচ্ছে।
এই অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা বহু অধ্যাদেশ যাচাই ও বিল আকারে পাস করা হয়েছে। তবে আইন প্রণয়ন ও তদারকির ক্ষেত্রে সংসদের ভূমিকা প্রত্যাশা অনুযায়ী শক্তিশালী হয়নি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অনেক সংসদ সদস্য নতুন হওয়ায় অভিজ্ঞতার ঘাটতিও এর একটি কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন সংসদ সদস্যরা ধীরে ধীরে সংসদীয় কার্যপ্রণালির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিচ্ছেন। ভবিষ্যতে গঠনমূলক আলোচনা বাড়বে এবং সংসদ জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

যুগান্তর পত্রিকার খবর- বাজেট ২০২৬-২৭ অর্থবছর- ব্যক্তিশ্রেণির করের বোঝা বাড়বে
এই সংবাদে বলা হচ্ছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের ওপর করের চাপ বাড়তে পারে বলে জানা গেছে। করমুক্ত আয়সীমা সামান্য বাড়ানো হলেও করের হার ও আয়ের স্ল্যাবে পরিবর্তনের কারণে অধিকাংশ করদাতাকে বেশি কর দিতে হতে পারে।
নতুন কাঠামো অনুযায়ী ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত থাকবে। এর পরের আয়ের বিভিন্ন স্তরে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কর নির্ধারণ করা হয়েছে। আগের তুলনায় স্ল্যাব সংখ্যা কমানো হলেও প্রতিটি স্তরে করহার বাড়ানো হয়েছে, যা সামগ্রিক করের বোঝা বাড়াবে।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নিম্ন মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চ আয়ের মানুষ সবাই এ পরিবর্তনের প্রভাবে পড়বেন। আয় না বাড়লেও নতুন কর কাঠামোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে করের পরিমাণ বাড়তে পারে।
এ ছাড়া স্থাবর সম্পত্তির ওপর সম্পদ কর আরোপসহ আয়কর আইনে আরও কিছু পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে আগামী অর্থবছরে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউ এইজ পত্রিকার খবর- Probe finds 32 killed in Shapla Chattar attack অর্থাৎ শাপলা চত্বরের ঘটনায় ৩২ জনের মৃত্যু- তদন্ত প্রতিবেদন।
২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে অভিযান চালিয়ে অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছিলেন বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, তদন্তে শাপলা চত্বর ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তৎকালীন সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট অন্যদের আসামি করা হতে পারে।
তদন্তের প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে বলেও জানিয়েছেন প্রধান কৌঁসুলি। বাকি কাজ শেষ করে শিগগিরই ট্রাইব্যুনালে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
এ মামলায় ইতিমধ্যে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ৭ জুন সময়সীমা নির্ধারণ করেছে।

টাইমস অফ বাংলাদেশের খবর- The CETP Trap: Tanners bleed billions in exports অর্থাৎ রপ্তানিতে হাজার কোটি হারাচ্ছে ট্যানারি শিল্প
বাংলাদেশের চামড়া শিল্প প্রায় এক দশক ধরে বড় ধরনের সংকটে রয়েছে। হাজারীবাগ থেকে সাভারে ট্যানারি স্থানান্তর করে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করার কথা থাকলেও বাস্তবে তা হয়নি। বরং পর্যাপ্ত বর্জ্য শোধন ব্যবস্থা না থাকায় শিল্পটি উচ্চমূল্যের বৈশ্বিক বাজার থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাভারের কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার পুরোপুরি কার্যকর না হওয়ায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণ করা যাচ্ছে না। ফলে লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের সনদ না থাকায় ইউরোপ, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো বাজারে রপ্তানি কমে গেছে।
প্রতি বছর দেশে বিপুল পরিমাণ চামড়া উৎপাদন হলেও তার বড় অংশ কম দামে রপ্তানি করতে হচ্ছে। যেখানে আন্তর্জাতিক মান পূরণ করতে পারলে প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম দ্বিগুণের বেশি পাওয়া যেত, সেখানে এখন অনেক কম দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে প্রতি বছর বড় অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ।
এ পরিস্থিতির কারণে চামড়া খাতের প্রবৃদ্ধি প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। একসময় যেখানে কাঁচা চামড়া রপ্তানি কয়েকশ কোটি ডলার ছিল, তা কমে গেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থতাই এই সংকটের মূল কারণ।

সমকাল পত্রিকার খবর- এপ্রিলে স্বাভাবিকের চেয়ে ৭৫% বেশি বৃষ্টি, এ মাসে ঘূর্ণিঝড়ের আভাস
এই সংবাদে বলা হচ্ছে, এপ্রিল মাসে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৭৫ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা আবহাওয়ার স্বাভাবিক ধরণ থেকে ভিন্ন ছিল। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে বরিশাল বিভাগে, যেখানে স্বাভাবিকের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকলেও কৃষিতে ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মে মাসেও অস্থির আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময় ঘূর্ণিঝড়, কালবৈশাখী, বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মাসজুড়ে কয়েকটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়ে এর মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
এদিকে এপ্রিল মাসে সাধারণত তাপপ্রবাহ বেশি থাকলেও এবার তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। মাঝে মধ্যে স্বল্প সময়ের জন্য তাপপ্রবাহ দেখা গেলেও বৃষ্টির কারণে তা দ্রুত কমে গেছে। ফলে গড় তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম ছিল।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, মে মাসের প্রথম দিকে বৃষ্টি থাকায় তাপমাত্রা সহনীয় থাকবে। তবে মাসের মাঝামাঝি থেকে তাপমাত্রা বাড়তে পারে এবং স্বল্পমেয়াদি তাপপ্রবাহ ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

দেশ রূপান্তর পত্রিকার খবর- সরকারি কোম্পানির মেরুদণ্ডে কোপ!
বিদ্যুৎ খাতে সরকারি কোম্পানিগুলোর সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, আয়বৈষম্য তৈরি করে সরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোকে চাপে ফেলা হচ্ছে, যা তাদের বিনিয়োগ সক্ষমতা দুর্বল করতে পারে। এতে দীর্ঘমেয়াদে খাতটির নিয়ন্ত্রণ বেসরকারি কোম্পানির দিকে ঝুঁকে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারি কোম্পানিগুলো তুলনামূলকভাবে কম খরচে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে এবং নিয়মিত মুনাফাও করছে। এর বিপরীতে বেসরকারি খাত ও আমদানি করা বিদ্যুতের ব্যয় বেশি হওয়ায় সরকারের খরচ বাড়ছে। ফলে সরকারি অংশীদারিত্ব বাড়ানো হলে সামগ্রিক ব্যয় কমানো সম্ভব বলে তারা মনে করেন।
পিডিবি ও সরকারি কোম্পানিগুলো দাতাগোষ্ঠীর পরামর্শে গঠিত হয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও সাম্প্রতিক সময়ে নতুন নীতির কারণে তাদের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে আগের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি সংশোধনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যদি সরকারি কোম্পানিগুলোর সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে, তাহলে বিদ্যুৎ খাতে বেসরকারি নির্ভরতা বাড়বে এবং ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ কেনার খরচও বৃদ্ধি পেতে পারে।







