পত্রিকা: 'হ্যাঁ ভোট- প্রচারণায় ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহের চাপ দেওয়া হয়েছিল ব্যাংকগুলোকে'

টাইমস অফ বাংলাদেশের খবর- Tk100cr CSR push for 'Yes Vote' campaign অর্থাৎ 'হ্যাঁ ভোট'- প্রচারণায় ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহের চাপ ব্যাংকগুলোকে।
চলতি বছরের শুরুতে অন্তর্বর্তী সরকার ব্যাংকগুলোকে তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার তহবিল থেকে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে 'হ্যাঁ ভোট' প্রচারণায় দেওয়ার জন্য চাপ দেয়। এই অর্থ তিনটি সংগঠনকে দেওয়ার কথা বলা হয়, যার মধ্যে একটি সংগঠন তখনো নিবন্ধিত ছিল না। এতে ব্যাংক কর্মকর্তাদের মধ্যে আইনি ও নৈতিক প্রশ্ন ওঠে।
ব্যাংকগুলোর আপত্তি থাকা সত্ত্বেও নানা চাপ ও আলোচনার পর শেষ পর্যন্ত প্রায় ৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়।
এই অর্থ দেওয়া হয় সুশাসনের জন্য নাগরিক, স্টুডেন্টস অ্যাগেইনস্ট ডিসক্রিমিনেশন ফাউন্ডেশন এবং ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি নামের সংগঠনগুলোকে। সংশ্লিষ্ট নথি ও কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী এই অর্থ দেওয়া ব্যাংকিং নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।
এ বিষয়ে একাধিক বৈঠকে ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা আপত্তি জানান যে সামাজিক দায়বদ্ধতার অর্থ ভোট প্রচারণায় ব্যবহার করা যায় না। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয় এটি সরকারের নির্দেশ এবং তা মানতে হবে। লিখিত নির্দেশনা চাইলে সেটিও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
শেষ পর্যন্ত পুরো অর্থ সংগ্রহ সম্ভব না হলেও কিছু টাকা দেওয়া হয়, যা নিয়ে ব্যাংক খাতে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই ধরনের চাপ ভবিষ্যতে ব্যাংকিং খাতের স্বচ্ছতা ও নিয়মের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:

কালের কণ্ঠ পত্রিকার খবর- কঠিন শর্তের ঋণে সরকার।
সরকারের আয় কমে যাওয়ায় এবং রাজস্ব ঘাটতি বেড়ে যাওয়ায় অর্থনৈতিক চাপ বাড়ছে। একই সময়ে খরচ কমানো সম্ভব হচ্ছে না, কারণ বাজেট বাস্তবায়ন, রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি এবং জ্বালানি খাতে বাড়তি ব্যয় চালিয়ে যেতে হচ্ছে। এর সঙ্গে আগের সময়ের অর্থনৈতিক স্থবিরতার প্রভাবও যুক্ত হয়ে পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
এই অবস্থায় সরকারকে ধার করে চলতে হচ্ছে। দেশের ভেতর থেকে ঋণ নেওয়ার পাশাপাশি বিদেশ থেকেও ঋণ নেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি প্রায় ১ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারের পাঁচটি ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর বড় অংশই এমন ঋণ, যার সুদ বেশি এবং শর্ত কঠিন।
এই ঋণের বড় অংশ বাজেট সহায়তা হিসেবে ব্যবহার করা হবে, যা সাময়িকভাবে অর্থ সংকট কমাতে সাহায্য করবে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব ঋণ ভবিষ্যতে পরিশোধের সময় সরকারের ওপর বড় চাপ তৈরি করতে পারে।
এই অর্থ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে আসছে, যেমন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, জাপানের সহায়তা সংস্থা, এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক এবং ওপেক ফান্ড। সরকার আশা করছে এই অর্থে এখনকার সংকট কিছুটা সামাল দেওয়া যাবে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- World press freedom index Bangladesh slides 3 spots to 152nd অর্থাৎ বিশ্ব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সূচকে বাংলাদেশ এবার তিন ধাপ পিছিয়ে ১৫২তম অবস্থানে নেমে গেছে।
আন্তর্জাতিক সংস্থা রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স- এই সূচক প্রকাশ করেছে, যেখানে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক শূন্য পাঁচ। গত বছর কিছুটা উন্নতি হলেও এবার সেই অগ্রগতি ধরে রাখা যায়নি।
এই সূচকে শূন্য থেকে একশ পর্যন্ত নম্বর দেওয়া হয়, যেখানে একশ মানে সবচেয়ে ভালো অবস্থা। বিভিন্ন দেশে সাংবাদিকদের ওপর চাপ, হামলা, আইনগত বাধা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এই স্কোর নির্ধারণ করা হয়। বাংলাদেশের অবস্থান খুবই দুর্বল শ্রেণিতে রয়েছে, যা গুরুতর পরিস্থিতি বোঝায়।
এই বছর বিশেষ করে অর্থনৈতিক চাপ, আইনি সমস্যা এবং সামাজিক পরিবেশের কারণে বাংলাদেশের অবস্থান খারাপ হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ এখনো পাকিস্তান ও ভারতের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও ভুটানের চেয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে।
বিশ্ব পরিস্থিতিও ভালো নয়। সংস্থাটি বলছে, বর্তমানে অনেক দেশেই সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হচ্ছে। আগে যেখানে কিছু দেশে ভালো অবস্থা ছিল, এখন সেখানে সংখ্যাও অনেক কমে গেছে। ফলে বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মানবজমিন পত্রিকার খবর- অবিশ্বাস্য জামিন জালিয়াতি।
চট্টগ্রামে একটি মামলায় তথ্য গোপন করে জামিন নেওয়ার একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে। কুকি চিনের ২০ হাজার পোশাক জব্দের মামলার এক আসামি জালিয়াতির মাধ্যমে জামিন নিয়ে কারাগার থেকে বের হয়ে যান। বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর আদালত অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ঘটনাটি প্রধান বিচারপতির নজরে আনেন অ্যাটর্নি জেনারেল। এরপর প্রধান বিচারপতি দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেন এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তথ্য গোপন ও জালিয়াতির বিষয়টি সত্য এবং ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, হাইকোর্টের জামিন আদেশে বিচারপতিদের স্বাক্ষরের পর তা পরিবর্তন করা হয়। পরে নতুন করে মামলার নম্বর ও থানার নাম বসিয়ে জাল কাগজ তৈরি করা হয়। সেই জাল আদেশ কারাগারে জমা দিলে আসামি মুক্তি পান। কয়েক মাস আগে ঘটনা ঘটলেও সম্প্রতি আরেক আসামির জামিন আবেদনের সময় বিষয়টি সামনে আসে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদালতের নথিতে এমন জালিয়াতি গুরুতর বিষয় এবং এটি বিচার ব্যবস্থার জন্য বড় ধরনের উদ্বেগের কারণ। সঠিক তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আবার ঘটার ঝুঁকি থাকবে।

যুগান্তর পত্রিকার শীর্ষ শিরোনাম - রাজনীতির নিয়ন্ত্রণই শেষ কথা।
গণঅভ্যুত্থানের পর মানুষ আশা করেছিল দেশে একটি পেশাদার ও নিরপেক্ষ পুলিশ বাহিনী গড়ে উঠবে। কিন্তু বাস্তবে সেই পরিবর্তন এখনো স্পষ্ট নয়। অনেক বিশ্লেষক বলছেন, পুলিশ এখনো পুরোপুরি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না এবং আগের মতোই রাজনৈতিক প্রভাব রয়ে গেছে। যদিও নতুন সরকারের সময় খুব বেশি হয়নি, তবুও বর্তমান পরিস্থিতি খুব আশাব্যঞ্জক নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল পুলিশকে নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। একই সঙ্গে পুলিশের ভেতরেও কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত সদস্য রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। ফলে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী নিরপেক্ষ ও কার্যকর পুলিশ ব্যবস্থা এখনো গড়ে ওঠেনি।
নতুন সরকার গঠনের পর পুলিশকে শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল করার জন্য কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকার বলছে, পদোন্নতি ও বদলিতে যোগ্যতাকেই গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং নিয়ম ভাঙার সুযোগ থাকবে না। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, ইতোমধ্যে কিছু পুলিশ সদস্য আবারও দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছেন, যার কারণে বাহিনীর ভেতরে দলবাজির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
এ অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। অনেক জায়গায় অপরাধ বেড়েছে এবং পুলিশকে নিষ্ক্রিয় মনে হচ্ছে। অভিযোগ আছে, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার কিংবা সাধারণ মানুষের অভিযোগে দ্রুত সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে পুলিশ আগের মতো সক্রিয় নয়। ফলে পেশাদার পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্য এখনো অনেক দূরের পথ হয়ে আছে।

প্রথম আলো পত্রিকার খবর- পরিকল্পনার শুরু থেকেই গলদ।
চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা দূর করতে প্রায় এক দশক ধরে বড় বড় প্রকল্প নেওয়া হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। খাল খনন, সম্প্রসারণ ও নানা অবকাঠামো নির্মাণে ১৪ হাজার কোটির বেশি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে এবং এর বড় অংশ খরচও হয়ে গেছে।
তবুও মৌসুমের প্রথম ভারী বৃষ্টিতেই শহরের বহু এলাকা পানিতে ডুবে যায়। কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে হাঁটু থেকে বুকসমান পানি জমে থাকে এবং পানি নামতে দীর্ঘ সময় লাগে, যা নগরবাসীর ভোগান্তি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমস্যার মূল কারণ প্রকল্প পরিকল্পনার দুর্বলতা। জলাবদ্ধতার মতো জটিল সমস্যা সমাধানে যে পূর্ণাঙ্গ সমীক্ষা ও সমন্বিত পরিকল্পনা দরকার ছিল, তা করা হয়নি।
নগরের সব খাল প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি এবং আগের ড্রেনেজ মহাপরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অনেক দিক বাদ পড়েছে। ফলে প্রকল্পের কাজ এগোলেও পুরো নগরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় কার্যকর পরিবর্তন আসেনি।
বর্তমানে চারটি বড় প্রকল্প চলমান থাকলেও অনেক খাল এখনো অবহেলিত রয়েছে। মোট ৭৪টি খালের মধ্যে মাত্র ৩৬টি প্রকল্পের আওতায় এসেছে, বাকি খালগুলো ভরাট, দখল ও আবর্জনায় প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এসব খালে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি কিছু খালে চলমান কাজের কারণে অস্থায়ী বাঁধ দেওয়া হয়েছে, যা বৃষ্টির সময় পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করা জরুরি। সরকারের পক্ষ থেকে নতুন করে একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে, তবে বাস্তব পরিবর্তন আনতে কার্যকর পরিকল্পনা ও মাঠপর্যায়ে কাজের বাস্তবায়নই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বণিক বার্তা পত্রিকার খবর- ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি করল বিমান।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কিনতে একটি বড় চুক্তি করেছে। রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিমানের সিইও কাইজার সোহেল আহমেদ এবং বোয়িংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিঘি চুক্তিতে সই করেন। এই চুক্তির সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বা ৪৫ হাজার কোটির বেশি টাকা।
নতুন উড়োজাহাজগুলো ধাপে ধাপে দেশে আসবে। আগে জানা তথ্য অনুযায়ী ২০৩১ সালের শেষ দিকে প্রথম উড়োজাহাজটি আসতে পারে এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে সবগুলো বিমান বহরে যুক্ত হবে। এসব উড়োজাহাজের মধ্যে ড্রিমলাইনার মডেলের বেশ কিছু আধুনিক বিমান থাকবে, যা বিমানের সেবা ও সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করবে।
এই উড়োজাহাজ কেনা নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে বোয়িং ও এয়ারবাসের মধ্যে প্রতিযোগিতা ছিল। আগে এয়ারবাস থেকে বিমান কেনার আলোচনা থাকলেও পরে পরিস্থিতি বদলে যায়। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া বাণিজ্য চুক্তির কারণে শেষ পর্যন্ত বোয়িংয়ের সঙ্গে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।
এই প্রকল্পে অর্থায়ন করবে যুক্তরাষ্ট্রের এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক। তারা এমনভাবে অর্থ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে যাতে একসঙ্গে বড় চাপ না পড়ে এবং ধাপে ধাপে পরিশোধ করা যায়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস আধুনিক বহর গড়ে তুলতে পারবে।

নয়া দিগন্ত পত্রিকার খবর- বিদেশী ঋণ পরিশোধেই ৯ মাসে ব্যয় ৪২,৭০০ কোটি টাকা।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে বিদেশি ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধ করতে বাংলাদেশকে বড় অঙ্কের টাকা ব্যয় করতে হয়েছে। এই সময়ে মোট প্রায় ৩৫০ কোটি ডলার বা ৪২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ঋণ পরিশোধের পরিমাণ বেড়েছে, যা অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়াচ্ছে।
অন্যদিকে এই সময়ে বিদেশী ঋণের নতুন অর্থ ছাড় ও প্রতিশ্রুতি দুটোই কমে গেছে। উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ঋণ ছাড় কমেছে প্রায় ১৯ শতাংশ এবং প্রতিশ্রুতি কমেছে প্রায় ৬.৭ শতাংশ। ফলে একদিকে পরিশোধ বাড়ছে, অন্যদিকে নতুন অর্থ আসা কমে যাওয়ায় ভারসাম্যহীনতা তৈরি হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগের নেওয়া অনেক ঋণের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় এখন কিস্তি পরিশোধের চাপ বেড়েছে। এই ধারা চলতে থাকলে চলতি বছর শেষে মোট ঋণ পরিশোধ ৫০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এই সময়ে রাশিয়া, বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক সবচেয়ে বেশি ঋণ দিয়েছে। সরকার আশা করছে, পাইপলাইনে থাকা বড় প্রকল্পগুলো থেকে কিছু অর্থ ছাড় পাওয়া যাবে এবং নতুন করে বাজেট সহায়তা এলে পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হতে পারে।

নিউ এইজ পত্রিকার খবর- 27,000 cases pending with labour courts অর্থাৎ দেশের শ্রম আদালতগুলোতে মামলার জট বেড়ে ২৭ হাজারের বেশি হয়েছে।
অনেক শ্রমিক দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না। গত বছরের তুলনায় এ বছর মার্চ পর্যন্ত মামলার সংখ্যা প্রায় ৫ হাজারের বেশি বেড়েছে। ফলে বিচার পেতে অনেক শ্রমিককে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হচ্ছে, যা তাদের জীবন ও জীবিকার ওপর বড় প্রভাব ফেলছে।
শ্রমিক নেতারা বলছেন, কর্মস্থলে নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর শ্রমিকরা আদালতে গিয়েও ভোগান্তিতে পড়ছেন। অনেক সময় আদালতের কার্যক্রম ঠিকমতো সময়মতো শুরু হয় না এবং বিচারকরা নিয়মিত শুনানি করেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে। আইন অনুযায়ী ১৫০ দিনের মধ্যে মামলা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে খুব কম মামলাই এই সময়ের মধ্যে শেষ হয়।
বর্তমানে দেশের ১৩টি শ্রম আদালত ও একটি আপিল ট্রাইব্যুনালে এসব মামলা ঝুলে আছে। এর মধ্যে অনেক মামলাই ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলছে। ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের আদালতগুলোতে সবচেয়ে বেশি মামলা জমে আছে। এই চাপ কমাতে ময়মনসিংহে নতুন একটি শ্রম আদালত চালু করা হয়েছে।
অনেক শ্রমিকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, বছরের পর বছর মামলা চললেও সমাধান আসে না। কেউ কেউ রায় পেলেও তা বাস্তবায়ন হয় না, কারণ প্রতিষ্ঠানগুলো নানা আইনি কৌশল ব্যবহার করে সময়ক্ষেপণ করে। এতে শ্রমিকদের ভোগান্তি আরও বাড়ছে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আজকের পত্রিকার শীর্ষ খবর - শীর্ষ সন্ত্রাসীরা মরিয়া আধিপত্য বিস্তারে।
রাজধানী ঢাকার অপরাধ জগতে আবারও শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। হাজারীবাগের সন্ত্রাসী টিটন হত্যার মাধ্যমে এই দ্বন্দ্ব নতুন করে সামনে আসে। এর আগে একই ধরনের কারণে আরেক সন্ত্রাসী মামুনও খুন হন। এসব ঘটনায় নগরবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বেড়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়া কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী নিজেদের প্রভাব বাড়াতে আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। তাদের মধ্যে পিচ্চি হেলাল ও ইমন নাম বেশি আলোচনায় এসেছে। এলাকায় নিয়ন্ত্রণ, ব্যবসা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ বাড়ছে, যা সংঘাত ও হত্যাকাণ্ডের দিকে যাচ্ছে।
টিটন হত্যার ঘটনায় জড়িত কয়েকজনকে শনাক্ত করা হলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। পুলিশ বলছে, এই হত্যার পেছনে এলাকায় আধিপত্য এবং পশুর হাটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ ছিল। বিভিন্ন পক্ষ একে অপরকে দোষারোপ করছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইনশৃঙ্খলার দুর্বলতার সুযোগে এসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আবার শক্তিশালী হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে হত্যার ঘটনা বেড়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। তবে পুলিশ দাবি করছে, তারা সব ঘটনার তদন্ত করছে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।








