পত্রিকা: 'প্রস্তাব যাচাই না করেই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

প্রস্তাব যাচাই না করেই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি— দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে শুনানির আগেই প্রথম দুই ধাপের (শূন্য থেকে ৫০ এবং শূন্য থেকে ৭৫) গ্রাহকের দাম বৃদ্ধি না করতে একটি সম্পূরক প্রস্তাব দিয়েছিল বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।

কিন্তু বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ওই আবেদন আমলে না নিয়ে আবাসিক সব গ্রাহকের দাম বৃদ্ধি করে।

গরিব মানুষের বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সমালোচনার মুখে গতকাল বৃহস্পতিবার পিডিবি পুনরায় একই প্রস্তাব নিয়ে কমিশনে যায়।

আর নিজেদের ভুল আড়াল করতে তড়িঘড়ি করে গতকাল বিকেলেই বর্ধিত দাম প্রত্যাহার করার আদেশ দেয় বিইআরসি।

গত ৩ই জুন বিইআরসি নতুন বিদ্যুতের দর ঘোষণা করে। সেখানে লাইফলাইন গ্রাহকদের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম চার টাকা ৬৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ টাকা ৩২ পয়সা এবং ০-৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীদের জন্য পাঁচ টাকা ২৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ছয় টাকা ১৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।

তবে আদেশটি বাতিল হওয়ায় এখন লাইফলাইন গ্রাহকদের আগের দাম বহাল থাকছে।

এই খবরে বলা হচ্ছে, চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে খুলনায় প্রকাশ্যে গুলি, কুপিয়ে হত্যা ও জখমের আলোচিত অর্ধশত ঘটনা ঘটেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গত ২২ মাসে খুলনা শহর ও জেলায় এমন ঘটনা দুই শতাধিক।

বেশিরভাগ খুনোখুনির পেছনে অস্ত্র ও মাদক কারবার, চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরোধ ও পূর্বশত্রুতা রয়েছে বলে স্থানীয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রগুলো বলছে।

খুলনার অপরাধের বেশিরভাগ ঘটনায় ঘুরেফিরে আটটি সন্ত্রাসী গ্রুপের নাম এসেছে। এখন তারা এতটাই বেপরোয়া যে জনবহুল এলাকায়ও খুনোখুনি করতে দ্বিধা করছে না।

মানুষও প্রতিরোধে এগিয়ে আসার বা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস করে না।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা ও অদক্ষতার সুযোগেই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো শক্তিশালী হয়েছে।

সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো খুলনায় এতটা নিরাপদ পরিবেশ পেয়েছে যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তারা নিজেদের পক্ষে প্রচারণা চালায়। তাদের অন্তত ১৩টি ফেসবুক পেজ ও আইডি থেকে বিভিন্নজনকে ইঙ্গিত করে খুনের হুমকি ও প্রতিপক্ষকে ইঙ্গিত করে নানা পোস্ট দেওয়া হয়।

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— পুশ ইনে সীমান্তে উত্তেজনা

এই খবরে বলা হচ্ছে, ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) দেশটি থেকে লোকজনকে ধরে ধরে জোর করে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেওয়ার (পুশ ইন) চেষ্টা করছে।

দেশটির কেন্দ্রীয় শাসক দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এক মাস আগে পশ্চিমবঙ্গের শাসন ক্ষমতায় আসার পর বিএসএফের এই তৎপরতা হঠাৎ বেড়ে গেছে।

আর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পুশ ইন ঠেকাতে সীমান্তে টহল জোরদার করেছে। অনেক জায়গায় স্থানীয় লোকজন সহযোগিতা করছেন বিজিবি সদস্যদের।

এই পরিস্থিতিতে উত্তেজনা বাড়ছে প্রতিবেশী দুই দেশের সীমান্তে।

বিজিবির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছে, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের যেসব এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে পুশ ইন করার আশঙ্কা রয়েছে, এমন প্রায় ৭০টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু স্থানে পুশ ইনের আশঙ্কা বেশি। তাই সেসব এলাকায় বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি ও অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

এই খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) তথ্য অনুযায়ী, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রতি অর্থবছরে পরিচালন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যে বাজেট দেয়া হয়, তার মধ্যে মাত্র দেড় শতাংশ বরাদ্দ থাকে গবেষণা খাতে।

ইউজিসির বার্ষিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গবেষণায় বরাদ্দের পরিমাণ সামান্য হলেও প্রতি বছর অনেক বিশ্ববিদ্যালয় সেটাও পুরো ব্যয় করতে পারে না।

কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় এক বছরে গবেষণায় অর্ধকোটি টাকাও ব্যয় করতে পারেনি।

পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি বাজেট পায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। গবেষণা খাতেও ঢাবিকে সর্বাধিক বরাদ্দ দেয়া হয়।

গত কয়েক অর্থবছরের বাজেটের তথ্য অনুযায়ী, এ বিশ্ববিদ্যালয়েও গবেষণা খাতে বরাদ্দ ছিল ২ শতাংশের আশপাশে।

চলতি অর্থবছরে ঢাবির জন্য বাজেট অনুমোদন করা হয় ১ হাজার ৩৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এ বাজেটে গবেষণায় বরাদ্দ ছিল ২১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, যা মোট বাজেটের মাত্র ২ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ।

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— Khalilur's Moscow visit signals Dhaka's push for strategic balance; অর্থাৎ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মস্কো সফর ঢাকার কৌশলগত ভারসাম্য নীতির ঈঙ্গিত দিচ্ছে।

এই খবরে বলা হচ্ছে, গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে প্রথমবারের মতো উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগ হতে যাচ্ছে।

আগামী রোববার তিন দিনের সরকারি সফরে মস্কো যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে কূটনৈতিক মহল।

তারা বলছেন, বিশ্বের প্রধান প্রধান শক্তির সাথে সম্পর্ক জোরদার করে ভারসাম্যপূর্ণ ও বহুমুখী পররাষ্ট্রনীতি বজায় রাখার যে চেষ্টা ঢাকা করছে, এটি তারই একটি বড় অংশ।

নতুন সরকার গত কয়েক মাসে ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কূটনৈতিক যোগাযোগ বেশ জোরদার করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মস্কো সফর সেই প্রচেষ্টাকে আরও এগিয়ে নেবে এবং সব প্রধান অংশীদারের সাথে একটি ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতিকে নতুন করে প্রমাণ করবে।

বর্তমান জটিল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে দেশের জাতীয় উন্নয়ন ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করার পাশাপাশি সব বড় শক্তির সাথে সমান তালে চলার যে লক্ষ্য ঢাকার রয়েছে, এই সফর মূলত সেটিই স্পষ্ট করছে।

১৯ দিনের মাথায় রায়, দ্রুত বিচারের রেকর্ড— মানবজমিনের প্রধান সংবাদ এটি।

এই খবরে বলা হচ্ছে, শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলায় আগামী রোববার রায়ের দিন ধার্য করেছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার যুক্তি-তর্ক শেষ হয়েছে মামলাটির।

তাতে দেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ হওয়ার নজির তৈরি হতে যাচ্ছে।

গত ১৯শে মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছরের শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে ফ্ল্যাটটিতে বসবাসকারী সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর আদালতের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করেছিল সোহেল।

এই মামলায় রামিসার বাবা, মা, বোন, স্বজন, প্রতিবেশী প্রত্যক্ষদর্শী ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ ১৬ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

সচিবালয়ের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয়— কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি

এই খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ সচিবালয়ের নিরাপত্তাব্যবস্থা কতটা নাজুক, বাইরে থেকে তা বোঝা না গেলেও প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরির ঘটনায় বিষয়টি সামনে এসেছে।

তার চুরির ঘটনা যে সাধারণ কোনো ঘটনা নয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে আমলে নিতে হবে বলে মনে করছেন সচিবালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

ঈদুল আজহার ছুটির মধ্যে সচিবালয়ের অভ্যন্তরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় এ পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জানা গেছে, সচিবালয়ের ভবনগুলোর চাবি সংরক্ষণের দায়িত্ব গণপূর্ত বিভাগের। অফিস ছুটির পর নির্দিষ্ট কর্মচারী সব ভবনে প্রবেশের সব গেট তালাবদ্ধ করেন। তবে সেই তালা খুলে ঝাড়ুদার ছাদে গিয়ে তার নিয়ে সচিবালয় থেকে বেরিয়ে গেল তা কারো চেখে পড়ল না!

বিষয়টি উদঘাটনে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা কাজ শুরু করেছে।

চূড়ান্ত যুদ্ধের মুখে জান্তা— নয়া দিগন্তের প্রধান খবর এটি।

এতে বলা হচ্ছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সামরিক জান্তা সরকারের শেষ শক্তিশালী ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে চূড়ান্ত আক্রমণ শুরু করেছে জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)।

সশস্ত্র এই গোষ্ঠীটি দাবি করেছে, তারা পুরো রাখাইন রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। রাজ্যের প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র ও রাজধানী সিত্তওয়ে এবং চীনের শতকোটি ডলারের মেগাপ্রজেক্ট সমৃদ্ধ কৌশলগত অঞ্চল কিয়াকফিউতে অবস্থিত মিয়ানমার নৌবাহিনীর প্রধান পশ্চিমাঞ্চলীয় ঘাঁটিগুলোকে চারদিক থেকে অবরুদ্ধ করে ফেলেছে এএ যোদ্ধারা।

ইতোমধ্যেই দখলে নেওয়া রাজ্যের ১৭টি টাউনশিপের মধ্যে ১৪টি এবং চীন রাজ্যের পালেতওয়া এখন আরাকান আর্মির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে।

এই পরিস্থিতিতে জান্তা বাহিনীকে সম্পূর্ণ উচ্ছেদ করতে নৌঘাঁটিগুলোতে আক্রমণ তীব্র করেছে তারা।

এদিকে, স্থল ও নৌযুদ্ধে সুবিধাজনক অবস্থান তৈরি করতে না পেরে মিয়ানমারের জান্তা সরকার এখন সম্পূর্ণরূপে তাদের বিমানবাহিনীর ওপর নির্ভর করছে।

কিন্তু যখনই জান্তার ফাইটার জেট আকাশে আসে, আরাকান আর্মি সাময়িকভাবে আক্রমণ থামায়। কিন্তু বিমান চলে গেলেই তীব্র স্থল আক্রমণ শুরু হয়। জান্তা বাহিনী এখন পুরোপুরি প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে রয়েছে।

বহুমাত্রিক চাপে অর্থনীতি— সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি।

এতে বলা হচ্ছে, বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বলছে, দেশের অর্থনীতি বহুমাত্রিক চাপের মুখে রয়েছে।

সামষ্টিক অর্থনীতি, আর্থিক পরিস্থিতি, বিভিন্ন খাত ও সামাজিক চাপ একসঙ্গে তৈরি হয়েছে। অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত দুর্বলতা এবং বৈশ্বিক নানা ধাক্কা যার কারণ।

'২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি: উত্তরণকালীন সময়ে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ' শিরোনামে গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সিপিডি।

এতে সংস্থাটি আরও বলেছে, শুধু অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নয়, বরং দুর্বল সুশাসন, নীতি বাস্তবায়নে ঘাটতি ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতাই মূল চ্যালেঞ্জ।

সংবাদ সম্মেলনে সিপিডির উপস্থাপিত প্রবন্ধে বলা হয়, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। তবে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স বৈদেশিক খাতকে কিছুটা স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করেছে। বৈশ্বিক জ্বালানি ঝুঁকি নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

হাওরাঞ্চলের বন্যা এবং হাম রোগের প্রাদুর্ভাব দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির দুর্বলতা প্রকাশ করেছে। এটি সামগ্রিকভাবে শাসন ব্যবস্থা ও নীতি বাস্তবায়নের সীমাবদ্ধতা সামনে এনেছে।

উচ্চ মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে।

৯৫% শিশু টিকার আওতায় না আসা পর্যন্ত হাম কমবে না: বিশেষজ্ঞ— সংবাদের দ্বিতীয় প্রধান খবর এটি।

এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গে ছয় শতাধিক শিশু মারা গেছে। হামে আক্রান্ত ও মৃত্যু আরও কিছুদিন থাকবে বলে মনে করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

তাদের মতে, সারাদেশে কমপক্ষে ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনতে হবে৷ এখন এলাকাভিত্তিক ক্যাম্প করে টিকা দেয়া দরকার। ৬-১৫ মাস বয়সী বাচ্চাদেরকে কমপক্ষে ১টি করে টিকা দিলে ভালো। পারলে ২টা করে টিকা দেয়া যেতে পারে।

আগামী এক সপ্তাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কথাও বলছেন তারা। কারণ, বহু শিশু পরিবারে সঙ্গে ঈদে গ্রামের বাড়িতে গেছে। আবার ঢাকাসহ অন্য শহরে ফিরতে শুরু করছে। এইসব কারণে হাম হয়তো কিছুদিন বাড়তে পারে।