পত্রিকা: ''তদবির সিন্ডিকেটে' পুলিশ পদক'

দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— 'তদবির সিন্ডিকেটে' পুলিশ পদক।
এই খবরে বলা হয়েছে, চলতি বছরে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) পাচ্ছেন ১০৯ জন।
চূড়ান্ত হওয়া এই পদকের তালিকা নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন। রাজনৈতিক যোগ্যতা, কানেকশন ও তদবিরে অনেকেই নাম জুড়িয়েছেন পদকের তালিকায়। এ নিয়ে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
পুলিশ-সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও অনেকে তদবির ও রাজনৈতিক কানেকশনে পদক বাগিয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও হয়েছে একই কাজ। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি।
এতে ক্ষোভ ঝাড়ছেন অনেকেই। রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হলেও সবকিছু আগের মতোই হচ্ছে বলে বঞ্চিতদের অভিযোগ।
যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পদক প্রদান কমিটির সভাপতি অতিরিক্ত আইজিপি (অপারেশন) খন্দকার রফিকুল ইসলাম।
এদিকে, পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, এবার পদকের জন্য মনোনীত ১০৯ জনের মধ্যে ১১ জন আওয়ামী আমলেও পদক পেয়েছেন। এমকি কেউ কেউ দুইবারও পদক পান।

আয়ের ৩৫% যাচ্ছে চিকিৎসায়— কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর এটি।
খবরটিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭৯ শতাংশই মানুষকে নিজের পকেট থেকে বহন করতে হচ্ছে। এতে দরিদ্র পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তাদের আয়ের প্রায় ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত স্বাস্থ্য ব্যয়ে চলে যাচ্ছে, যেখানে ধনীদের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র পাঁচ শতাংশ।
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, মোট জনগোষ্ঠীর ২২ দশমিক ৩২ শতাংশ স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজনের কথা জানিয়েছেন। কিন্তু এর মধ্যে ১৫ শতাংশ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পাননি।
গ্রামে এই অপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবার হার শহরের তুলনায় বেশি। গ্রামে যেখানে অপূর্ণ চাহিদা ৬৫ শতাংশের বেশি, সেখানে শহরে তা প্রায় ৫৯ শতাংশ। জেলা পর্যায়ে বৈষম্যের চিত্র আরো প্রকট।
গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে একটি পরিবারকে গড়ে প্রতি মাসে তিন হাজার ৪৫৪ টাকা স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করতে হচ্ছে। যা পরিবারের মোট ব্যয়ের প্রায় ১১ শতাংশ।
গবেষকদের মতে, দেশের স্বাস্থ্য অর্থায়ন ব্যবস্থা 'রিগ্রেসিভ' বা দরিদ্রবিরোধী হয়ে উঠেছে।

ভূরাজনীতির স্পর্শকাতর ইস্যুতে চীনের পক্ষ নিলো ঢাকা— নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর এটি।
এতে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান তার বেইজিং সফরে 'এক চীন' নীতির প্রতি তার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্তই করেছেন। পাশাপাশি তাইওয়ান চীনের ভূখণ্ডের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং গণপ্রজাতন্ত্রী চীন সরকারই সমগ্র চীনের একমাত্র বৈধ সরকার— এমন অবস্থান প্রকাশ্যে এনেছেন।
কেবল তা নয়, বাংলাদেশ তাইওয়ানের স্বাধীনতার ঘোর বিরোধিতা করেছে এবং জাতীয় পুনর্মিলন অর্জনে চীন সরকারকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করেছে।
অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের ঝুঁকি নিয়ে তাইওয়ানের মতো ভূ-রাজনীতির স্পর্শকাতর ইস্যুতে বাংলাদেশ চীনের পক্ষে অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
এছাড়া, তিস্তা চুক্তির জন্য ভারতের জন্য আর অপেক্ষা না করে অভিন্ন এই নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীনের সম্পৃক্ততা ও সমর্থন চেয়েছে বাংলাদেশ।
বাংলাদশে ও চীন একে অপরের মূল স্বার্থ সমর্থন ও প্রধান উদ্বেগগুলো নিরসনে তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।
End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— সক্ষমতা পরখ করতে চায় জামায়াত ও এনসিপি।
এই খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিজেদের সামর্থ্য পরীক্ষা করতে চায় জামায়াত ও এনসিপি। এজন্য বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আলাদাভাবে লড়াইয়ের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশে সিটি নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত সমঝোতা যদি হয়-ও, ইউপি নির্বাচন তারা এককভাবেই করবে— এখন পর্যন্ত এমন সিদ্ধান্ত ধরেই চলছে দল দুটির প্রস্তুতি।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সমঝোতা নিয়ে এখনো ১১ দলে সে রকম আলোচনা হয়নি।
এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও দলের স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সারজিস আলম বললেন, এনসিপি এককভাবে রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে গড়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় আছে।
তবে, 'দেশ-জনগণের স্বার্থে' স্থানীয় নির্বাচনে জোট করতে হলে সেই সিদ্ধান্ত পরে নেওয়ার ইঙ্গিত দেন তিনি।

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম— বাংলাদেশেরসহ ১ হাজার ৬০০ জাহাজ এখনো আটকে আছে হরমুজ প্রণালির কাছে।
এই খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌ-বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ রয়েছে।
যার ফলে বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৬০০ বাণিজ্যিক জাহাজ আটকে আছে এই প্রণালির কাছে।
এর মধ্যে বাংলাদেশি পতাকাবাহী একটি জাহাজ এবং বাংলাদেশ সরকারের আমদানি করা জ্বালানি পণ্যবাহী আরো দুটি ট্যাংকার পারস্য উপসাগরে অবস্থান করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জাহাজগুলোর বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কূটনৈতিক চিঠি পাঠানো হয়েছে।
তবে এখনো বাংলাদেশমুখী জ্বালানিবাহী ট্যাংকারগুলোকে হরমুজ অতিক্রমের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Many students end pry edn without basic skills; অর্থাৎ মৌলিক দক্ষতা অর্জন ছাড়াই প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করছে অনেক শিক্ষার্থী।
এই খবরে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে, মৌলিক দক্ষতাই অর্জন ছাড়াই বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থী মাধ্যমিক শিক্ষায় প্রবেশ করছে।
জরিপে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ৯১ শতাংশ 'নবিশ' বা প্রাথমিক স্তরে ছিল।
এর মধ্যে পঞ্চম শ্রেণির সক্ষমতার ওপর নেওয়া পরীক্ষার অর্ধেক প্রশ্নেরও সঠিক উত্তর দিতে পারেনি তারা। এর মধ্যে এই হার গণিতে ৯১ শতাংশ এবং বাংলায় ৬৫ শতাংশ।
এমন পরিস্থিতির পেছনে শিক্ষাবিদ ও গবেষকরা দক্ষ শিক্ষকের অভাব, শিক্ষণ উপকরণের অভাব, শিক্ষকদের জন্য মানসম্মত প্রশিক্ষণের অভাব, যোগ্যতাভিত্তিক পাঠ্যক্রমের অভাব, সঠিক মূল্যায়ন পদ্ধতির অভাব এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতার অভাবকে দায়ী করছেন।

সমকালের প্রধান খবর— ফ্যামিলি কার্ডপ্রাপ্তরা অন্য কোনো ভাতা পাবেন না।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের উপকারভোগীর সংখ্যা আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৮৩ লাখে উন্নীত করার পরিকল্পনা সরকারের।
এ জন্য নতুন বাজেটে দুই খাতে মোট ১৩ হাজার ৪৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে।
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফ্যামিলি কার্ডপ্রাপ্তরা অন্য কোনো ভাতা পাবেন না।
আগামী অর্থবছরে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের সরকারি সম্মানী, খাল খনন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতা-ও বাড়ানো হচ্ছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
প্রথম আলোর প্রধান খবর— বরেন্দ্র অঞ্চলে বড় দুশ্চিন্তা পানি।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, পানিসংকটে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর সাড়ে তিন হাজার মৌজায় সেচব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। খাওয়ার পানি সংগ্রহেও করতে হচ্ছে সংগ্রাম।
এসব এলাকায় এখন সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার নাম পানি। এখানে দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত পুকুর হয়ে পড়েছে পরিত্যক্ত, নলকূপে মিলছে না পানি।
গবেষকেরা বলছেন, নির্বিচার ভূগর্ভস্থ পানি তোলায় মাটির নিচের পানিধারক স্তর বা 'অ্যাকুইফার' মারা যাচ্ছে। ফলে পর্যাপ্ত বৃষ্টি হলেও মাটির নিচে পানি জমছে না।
এদিকে, পানিসংকটে সেচব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় ধান চাষের খরচ বাড়ছে, অনাবাদি হয়ে পড়ছে বিস্তীর্ণ জমি।
এমন অবস্থায় এই তিন জেলার ২৫ উপজেলার ৪৭টি ইউনিয়নের ১ হাজার ৪৬৯টি মৌজাকে গত বছর 'অতি উচ্চ পানিসংকটাপন্ন' এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। ৮৮৪টি মৌজাকে 'উচ্চ পানিসংকটাপন্ন এলাকা' এবং ১ হাজার ২৪০টি মৌজাকে মধ্যম মাত্রার পানিসংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়।
এ ঘোষণার পর ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে গত জানুয়ারিতে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
তবে বাস্তবে বিধিনিষেধ মানা হচ্ছে না।
End of বিবিসি বাংলার আরও সংবাদ:

মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম— নেতাদের কঠোর বার্তা বিএনপি'র।
এই খবরে বলা হয়েছে, হাইকমান্ডের কঠোর হুঁশিয়ারির পরও বিএনপির তৃণমূলের কিছু নেতাকর্মী বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। এতে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছেন দলের দায়িত্বশীল নেতারা।
তবে অপকর্মে জড়িয়ে পড়া এসব নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়েছে বিএনপি।
সাংগঠনিক ব্যবস্থার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে আইনি ব্যবস্থাও।
এদিকে, সম্প্রতি দেশব্যাপী চাঁদাবাজদের তালিকা করেছে প্রশাসন। তালিকায় বিএনপির কেউ জড়িত থাকলে তাকেও ছাড় না দেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Haor farmers sink into debt, misery।
এই খবরে বলা হয়েছে, অসময়ে বৃষ্টি, বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের কারণে হাওরাঞ্চলে হাজার হাজার বোরো চাষির ফসল নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ধানের দাম কমে যাওয়ায় চরম দুর্দশায় পড়েছেন কৃষকেরা।
তাদের অনেকেই ঋণের এমন এক চক্রে আটকা পড়েছেন, যা থেকে মুক্তি পাওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে সারাবছর ধরে পরিবারের ভরণপোষণের দুশ্চিন্তা।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বোরো মৌসুমে সাত হাওর জেলা সিলেট, সুনামগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জে দুই লাখ ৩৬ হাজারের বেশি কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেছেন, হাওর অঞ্চলের মোট কৃষিজমির ১০ দশমিক ৭৮ শতাংশ, অর্থাৎ ৪৯ হাজার ৭৩ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। এতে বোরো ধানের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ২ লাখ ১৩ হাজার টন।
উল্লেখ্য, বোরো হলো শুষ্ক মৌসুমের সেচনির্ভর ধান, যা ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির শুরু পর্যন্ত রোপণ করা হয় এবং এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে কাটা হয়। দেশের মোট বার্ষিক চাল উৎপাদনের প্রায় ৫৫ শতাংশ আসে এই ফসল থেকে।
সাধারণত মৌসুমের মধ্যেই হাওর অঞ্চলের ধান কাটা শেষ হয়। কিন্তু এবার বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় এবং এপ্রিলের ভারী বৃষ্টিপাতে ফসলের ক্ষতি হয়েছে।









