আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

লাইভ , কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে ট্রাম্পের দল, জয়ের পথে ডেমোক্র্যাটরা

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষেই ডেমোক্র্যাটদের জয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বুথ ফেরত জরিপে দেখা যাচ্ছে অর্থনীতি নিয়ে অধিকাংশ ভোটার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

সরাসরি কভারেজ

রিপোর্টিংয়ে সজল দাস, সম্পাদনায় ফৌজিয়া সুলতানা

  1. ‘নির্বাচনে হস্তক্ষেপকারী স্পেস লেজারগুলো এবার কাজ করেনি': মাস্ক

    যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলে বড়ভাবে ছায়া ফেলেছেন দেশটির বিলিয়নেয়ার ব্যবসায়ী ইলন মাস্ক।

    নির্বাচনী অর্থায়ন পর্যবেক্ষণকারী স্বাধীন সংস্থা ওপেন সিক্রেটস এর তথ্য অনুযায়ী, রিপাবলিকান প্রার্থীদেরকে সমর্থন করার জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে অন্তত ৪৫৫ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছেন তিনি।

    টেক্সাসের সেনেট নির্বাচনে, রিপাবলিকান প্রার্থী কেন প্যাক্সটনকে সমর্থন করতে ২০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ করেছেন মাস্ক। যদিও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস ট্যালারিকোর কাছে হেরে গেছেন কেন প্যাক্সটন।

    কয়েক বছর আগে মাস্ক তার বাসস্থান এবং কিছু ব্যবসায়িক স্বার্থ এই রাজ্যে স্থানান্তর করেছিলেন।

    বিজয়ী ভাষণে, ট্যালারিকো তার সমর্থকদের বলেছেন যে, "আমরা এই রাজ্য এবং এই দেশের প্রত্যেক বিলিয়নিয়ার, প্রত্যেক ট্রিলিয়নিয়ার এবং এই রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রত্যেক দুর্নীতিগ্রস্ত রক্ষককে একটা বার্তা পাঠিয়েছি যে, ক্ষমতা জনগণের।"

    এর আগে, বেশ কয়েক ঘণ্টা নীরব থাকার পর নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ দেওয়া একটি পোস্টে মাস্ক লেখেন, "মনে হচ্ছে আমার নির্বাচনে হস্তক্ষেপকারী স্পেশ লেজারগুলো এবার কাজ করেনি।"

  2. যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সেনেট নির্বাচনে কোথায় কী অবস্থা?

    যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা টেক্সাস, ওহাইও এবং কানসাসসহ রিপাবলিকান ঘাঁটিগুলোতে একের পর এক বিজয় তুলে নিয়েছেন।

    ডেমোক্র্যাট প্রার্থী অ্যাডাম হ্যামিল্টনকে কানসাসের সেনেট আসনের বিজয়ী হিসেবে অনুমান করা হচ্ছে। এই রাজ্যে সর্বশেষ প্রায় ১০০ বছর আগে একজন ডেমোক্র্যাট নির্বাচিত হয়েছিলেন।

    সাবেক প্যারা অলিম্পিয়ান, ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জশ টুরেক, আইওয়া থেকে পরবর্তী মার্কিন সেনেটর হবেন বলে অনুমান করা হচ্ছে এবং রিপাবলিকান সেনেটর জনি আর্নস্টের নিয়ন্ত্রণে থাকা আসনটি তিনি দখল করবেন।

    মেইন রাজ্যের সেনেট আসনটি ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ট্রয় জ্যাকসনের কাছে যাবে, যিনি প্রায় ৩০ বছর ধরে আসনটিতে থাকা রিপাবলিকান বর্তমান সেনেটর সুসান কলিন্সের আসনটি দখল করবেন।

    ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আব্দুল এল-সাইয়েদ রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে অল্প ব্যবধানে হারিয়ে মিশিগান সেনেট আসনে জিতবেন বলে অনুমান করা হচ্ছে।

    এছাড়া ওহাইও রাজ্যের সেনেট আসনটি ডেমোক্র্যাট শেরড ব্রাউনের পক্ষে গেছে এবং টেক্সাসে, ডেমোক্র্যাট জেমস ট্যালারিকো সেনেট আসনটি দখল করেছেন।

    সাউথ ক্যারোলাইনায়, ডেমোক্র্যাট অ্যানি অ্যান্ড্রুস রিপাবলিকান প্রার্থী ডারলিন গ্রাহামকে পরাজিত করেছেন, যিনি প্রয়াত সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের বোন।

  3. মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া সম্পর্কে কী প্রভাব ফেলবে?, স্টিভ রোজেনবার্গ, রাশিয়া সম্পাদক

    যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল ক্রেমলিনের ওপর কী প্রভাব ফেলবে?

    "প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার মেয়াদের শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট থাকবেন এবং তার পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করবেন," প্রেসিডেন্ট পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সোমবার বিবিসিকে একথা জানিয়েছিলেন।

    অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, মস্কো স্বাভাবিক কাজকর্ম আশা করছে বলেই এই বার্তায় মনে হয়েছে।

    রাশিয়া ঠিক যা চেয়েছিল সেটি হয়তো দিতে পারেননি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, অর্থাৎ নিজেদের শর্তে ইউক্রেন নিয়ে একটি চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি। বরং ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি ক্রেমলিনের জন্য অনেক ইতিবাচক ফল বয়ে এনেছে।

    সম্প্রতি কিছু রাশিয়া-বিরোধী নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, রাশিয়ান ডিজেল কিনতে সম্মত হয়েছেন এবং ভ্লাদিমির পুতিনের চেয়ে ভলোদিমির জেলেনস্কির অনেক বেশি সমালোচনা করেছেন।

    কিন্তু এই সপ্তাহের শুরুতে রাশিয়ার নেজাভিসিমায়া গেজেতা পত্রিকা ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল যে, রিপাবলিকানরা যদি কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারায়, তাহলে ডোনাল্ড ট্রাম্প "ডেমোক্র্যাটদের শুরু করা অসংখ্য তদন্তে জড়িয়ে পড়বেন" এবং “রাশিয়া-বিষয়ক নীতিসহ তিনি যে নীতিগুলোকে সঠিক বলে মনে করেন, সেগুলো অনুসরণ করা তার পক্ষে সম্ভব হবে না।”

  4. মিশিগানের সেনেট আসনে জয়ের পথে এল-সাইয়েদ, পূর্বাভাস সিবিএসের

    সিবিএসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মিশিগানের সেনেট আসনটি ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদের দখলে যাচ্ছে।

    এর কিছু আগে বিজয়ের দাবি করে এল-সাইয়েদ সমর্থকদের বলেন, “আপনারা সবচেয়ে অসম্ভাব্য এক প্রার্থীর ওপর আস্থা রেখেছিলেন... মিশিগান, আপনাদের সেবা করার জন্য আমি আর অপেক্ষা করতে পারছি না।”

    এল-সাইয়েদ নির্বাচিত হলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম মুসলিম হবেন।

  5. আমেরিকানরা ‘স্পষ্ট বার্তা’ দিয়েছে: বারাক ওবামা

    যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, তার দলের ব্যাপক বিজয় প্রমাণ করে যে আমেরিকানরা পরিবর্তন চায়।

    এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ওবামা লিখেছেন, “আজ রাতে আমেরিকান জনগণ একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। তারা এমন রাজনীতি চায় যা মানুষকে বিভক্ত করার বদলে একত্র করে, এবং এমন নেতাদের চায় যারা তাদের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জগুলোর বাস্তবসম্মত সমাধান দিতে পারে।”

    মিশিগান ও জর্জিয়ার মতো দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যগুলোতে ওবামা বেশ কয়েকজন ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন।

    তিনি আরও যোগ করেন, “এখন আমাদের কাজ হলো হাতা গুটিয়ে কাজে নেমে পড়া, যেখানে আমাদের ক্ষমতা আছে সেখানে পরিবর্তন আনা, আরও ক্ষতি প্রতিরোধ করা এবং ভবিষ্যতের জন্য ভিত্তি তৈরি করা।”

  6. এল-সাইয়েদের প্রচার সমাবেশে উচ্ছ্বাসের জোয়ার

    আবদুল এল-সাইয়েদ মঞ্চে উঠে নিজের দাবি করা বিজয় উদযাপন করতে গেলে তার সমর্থকেরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন।

    উল্লেখ্য, ভোট গণনা এখনো চলছে এবং এখনো কোনো বিজয়ীর আনুষ্ঠানিক পূর্বাভাস ঘোষণা করা হয়নি।

    সমর্থকদের করতালি ও উল্লাসধ্বনি ছিল কানফাটানো। তারা আনন্দে তার নাম ধরে স্লোগান দিতে থাকেন।

    ইতিহাসের একটি সম্ভাব্য মুহূর্ত ধারণ করতে অসংখ্য মানুষ তাদের আইফোন উঁচিয়ে ধরেন। একজন মুসলিম ব্যক্তি সিনেটে নির্বাচিত হতে পারেন, এমন সম্ভাবনাকে ঘিরে সেখানে বিশেষ আবেগের সৃষ্টি হয়। জনতার মধ্যে অনেককে আবেগাপ্লুত হয়ে একে অপরকে আলিঙ্গন করতে দেখা যায়।

    কনসার্টের দর্শকদের মতো তারা তার স্লোগানগুলোও একসঙ্গে পুনরাবৃত্তি করছিলেন- “রাজনীতি থেকে অর্থের প্রভাব দূর করো, অর্থ রাখো মানুষের পকেটে, এবং সবার জন্য মেডিকেয়ার”।

    এল-সাইয়েদ উপস্থিত জনতাকে বলেন, তার বিরুদ্ধে পরিচালিত প্রচারণা তাদের জীবদ্দশায় দেখা সবচেয়ে কদর্য প্রচারণাগুলোর একটি ছিল। তিনি সমর্থনের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

    প্রগতিশীল রাজনৈতিক ধারার সমর্থকেরা তার এই সাফল্যকে বড় ধরনের বিজয় হিসেবে উদযাপন করছেন।

    তাদের একজন আমাকে বলেন, এখন থেকে তিনি আর কখনো শুনতে চান না যে প্রগতিশীলরা নির্বাচনে জিততে পারে না।

  7. মিশিগানে নিজের জয় দাবি করেছেন এল-সাইয়েদ

    মিশিগানে সেনেট নির্বাচনে নিজের বিজয় দাবি করেছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদ। যদিও চূড়ান্ত ফলাফল এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

    সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেছেন, "আপনারা সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত একজন প্রার্থীর ওপর বাজি ধরেছিলেন।"

    সমর্থনের জন্য জনতাকে ধন্যবাদও জানান তিনি।

    "মিশিগান, আপনাদের সেবা করার জন্য আমি আর অপেক্ষা করতে পারছি না," একথা বলে তিনি তার প্রতিপক্ষের সমালোচনা করেন। কারণ, প্রতিদ্বন্দ্বীরা এমন একটি বিষয় সামনে এনে প্রচারণা চালিয়েছিল, যেখানে তার মুসলিম ধর্মবিশ্বাসকে কেন্দ্রীয় বিষয় বানানো হয়েছিল।

    তিনি বলেন, "তারা দীর্ঘদিনের মধ্যে দেখা সবচেয়ে কুৎসিত প্রচারণাগুলোর একটিতে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল," অভিযোগ করে বলেন তারা তাকে আক্রমণ করেছে "আমার নাম এবং আমার বিশ্বাসের কারণে"।

    "তারা এমন এক আমেরিকা চেয়েছিল যা আমাদের কারো কারো জন্য খুব ছোট। আমরা জানি এটা এমন এক আমেরিকা যা আমাদের সবার জন্য যথেষ্ট বড়," বলেন তিনি।

    এল-সাইয়েদের সঙ্গে রিপাবলিকান মাইক রজার্সের লড়াইয়ের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল এখনও সামনে আসেনি।

    এর আগে, রজার্স তার সমর্থকদের বাড়ি যেতে অনুরোধ করেছিলেন কারণ, তার মতে "এটা একটা দীর্ঘ রাত হতে চলেছে"।

    রজার্স বলেছিলেন, "আমাদের এই নির্বাচনে জেতার একটা পথ আছে।" "বাড়ি গিয়ে ঘুমিয়ে নিন, আর যখন জেগে উঠবেন তখন দেখবেন আপনি বিজয়ী।"

  8. মিশিগানে এগিয়ে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদ

    বিবিসির যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অংশীদার সিবিএস নিউজের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জোসেলিন বেনসন মিশিগানের গভর্নর নির্বাচনে জয়ী হতে যাচ্ছেন। এর ফলে গভর্নর পদটি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।

    অন্যদিকে, অঙ্গরাজ্যটির সেনেট নির্বাচন এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদ এবং রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের মধ্যকার এ প্রতিদ্বন্দ্বিতার ফল এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

    এ পর্যন্ত ৭৮ শতাংশ ভোট গণনা সম্পন্ন হয়েছে এবং তাতে এল-সাইয়েদ এগিয়ে রয়েছেন। জয়ী হলে তিনি দেশটির প্রথম মুসলিম সেনেটর হতে পরেন।

  9. মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিজয়ের রাত যেভাবে উদযাপন করছেন ডেমোক্র্যাটরা

    ডেমোক্র্যাটদের জন্য আজকের রাতটি একটি ঐতিহাসিক রাত হয়ে উঠছে, কারণ দলটি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ জয় করেছে এবং সেনেটের নিয়ন্ত্রণও নিজেদের হাতে আনার পথে রয়েছে।

    এরই মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় জয় উদযাপন করছেন দলটির সমর্থকরা, যার কয়েকটি ঝলক দেখুন ছবিতে-

  10. ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেলে কী হবে?, সাকশি ভেঙ্কটরামন, ওয়াশিংটন ডিসি

    সেনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদ উভয় ক্ষেত্রেই ডেমোক্র্যাটরা এখন সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

    এর অর্থ হলো, জানুয়ারি থেকে তারা আবার কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে ফিরে আসবে, যা দেশটির আইন প্রণয়নের দায়িত্বে থাকা সরকারি শাখা।

    কংগ্রেসের উভয় কক্ষই বর্তমানে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যেখানে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিরঙ্কুশ।

    কিন্তু ডেমোক্র্যাটরা যখন কংগ্রেস ফিরে পাবে, তখন তারা আরও সহজে আইন পাস করতে পারবে এবং প্রেসিডেন্টের এজেন্ডাকে চ্যালেঞ্জ করতে পারবে।

    এমনকি প্রেসিডেন্টের প্রশাসনের সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্তও শুরু করতে পারবে তারা।

    এটি একটি বড় পরিবর্তন এবং ট্রাম্প তার মেয়াদের শেষ দুই বছরে প্রবেশ করার মুহূর্তে এই জয়টিই আশা করছিল ডেমোক্র্যাটরা।

  11. যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হলো

    কিছুক্ষণ আগে হাওয়াইয়ে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ২০২৬ সালের যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের শেষ ভোটকেন্দ্রও বন্ধ হলো।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাটরা রিপাবলিকানদের কাছ থেকে সেনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করতে যাচ্ছে।

    তবে এখনো আরও ফলাফল আসছে এবং ভোট গণনা অব্যাহত রয়েছে।

  12. ইরানে 'বড় ধরনের আঘাতে'র ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

    ইরানের বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্র হামলার পরিকল্পনা করছে বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, সে বিষয়ে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    কিছুক্ষণ আগে ফক্স নিউজের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, “আমাদের বড় কিছু করতে হবে”। তিনি যোগ করেন, এতে “একটি বড় ধরনের আঘাত” অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

    প্রেসিডেন্ট বলেন, “তাদের কখনও পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না।”

    এরপর তিনি স্বীকার করেন যে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

    তার ভাষায়, জ্বালানির জন্য বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হওয়ায় মানুষ “এটি পছন্দ করেনি”।

    ফক্স নিউজে নিজের প্রতিক্রিয়া জানানোর এক পর্যায়ে ট্রাম্প বলেন, তিনি এই ফলাফলকে তার প্রেসিডেন্ট পদের জন্য কোনো "ধাক্কা" বলে মনে করেন না, যদিও ধারণা করা হচ্ছে যে, তার দল কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই আসন হারাতে যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, ডেমোক্র্যাটরা বহু বছর ধরেই এমন একটি বড় জয়ের অপেক্ষায় ছিল এবং অবশেষে তারা তা অর্জন করেছে। এরপর তিনি তাদের "ভালো কাজ" করার জন্য অভিনন্দন জানান।

    প্রেসিডেন্ট এ সময় গত দুই বছরের অর্জনগুলোও তুলে ধরেন; বিশেষ করে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা এবং দক্ষিণ সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে তিনি তার প্রধান সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন।

  13. ‘তারা ভালো কাজ করেছে'- ডেমোক্র্যাটদের অভিনন্দন জানিয়েছেন ট্রাম্প

    মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা "ভালো কাজ করেছে" বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    রিপাবলিকানদের বিরুদ্ধে বিপর্যয়ের ফলাফল নিয়ে ফক্স নিউজকে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।

    উপস্থাপক ব্রেট বেয়ারকে ট্রাম্প বলেছেন যে, বাতাসে একটা ‘চাপা উত্তেজনা’ ছিল। এই ফলাফলে বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি।

    ট্রাম্প বলেন, "আমাদের অসাধারণ সমাবেশ হয়েছিল"।

    "আমি একটু অবাক হয়েছি"।

    সমঝোতার সুরে তিনি বলেন, কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে তিনি "অনেক, অনেক বিষয়ে" একসাথে কাজ করতে পারবেন।

    মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলে তার মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা তিনি নাকচ করে দেন।

  14. ফলাফলের জন্য 'ভুয়া রিপাবলিকান' এবং ফক্স নিউজকে দোষারোপ করলেন ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলের জন্য 'ভুয়া রিপাবলিকান' এবং ফক্স নিউজকে দায়ী করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, "প্রার্থীরা কেন জিতল এবং কেন হারল, তার কারণগুলো নিয়ে ভালো-মন্দ উভয় দিক থেকেই আমি একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক হতে চলেছি!"

    তিনি বলেন, "টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট যদি তার রাজনৈতিক জীবনের শেষ ছয় মাসে আরআইএনও না হতেন, তাহলে তিনি হারতেন না।"

    আরআইএনও একটি সংক্ষিপ্ত রূপ যার অর্থ ‘নামমাত্র রিপাবলিকান’।

    "ভেটো" শব্দ লেখা একটি লাল টুপির ছবিও শেয়ার করেছেন তিনি। যা স্পষ্টতই পরবর্তী ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসে পাস হওয়া যেকোনো আইন আটকে দেওয়ার তার ক্ষমতার দিকে ইঙ্গিত করে।

    ফক্স নিউজ নিয়েও আপত্তি তুলেছেন ট্রাম্প। প্রশ্ন তুলেছেন যে, কেন তাদের রাজনৈতিক প্যানেলে নিউইয়র্কের সাবেক ডেমোক্র্যাট মেয়র বিল ডি ব্লাসিওকে রাখা হয়েছে।

    "ক্রমাগত ও ধারাবাহিকভাবে ডেমোক্র্যাট বিরোধী দল এবং আরও খারাপ বিষয় তুলে ধরার মাধ্যমে ফক্সনিউজ এই পরাজয়গুলোর জন্য দায়ী।"

  15. প্রতিনিধি পরিষদে এখন কোন দলের কী অবস্থা?

    যুক্তরাষ্ট্রে বিবিসি’র সহযোগী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান সিবিএস-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) ডেমোক্র্যাটরা অন্তত ২৩৯টি আসন এবং রিপাবলিকানরা অন্তত ১৬১টি আসন জিতবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে মোট ৪৩৫টি আসন রয়েছে। তাই এখনো বেশ কিছু আসনের ফলাফল ঘোষণা বাকি আছে। বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়া ও টেক্সাসে, যেখানে আসনের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি।

    এ ছাড়া মেইন এবং আলাস্কার মতো অঙ্গরাজ্যগুলোয় ভোট গণনায় বেশি সময় লাগে। ফলে সেখানকার ফলাফল পেতেও অপেক্ষা করতে হতে পারে।

  16. নিজেকে দল থেকে দূরে সরিয়ে নিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ড্যানিয়েল বুশ, ওয়াশিংটন সংবাদদাতা

    "আমি ব্যালটে ছিলাম না, আর যদি থাকতাম, তাহলে আমরা বিপুল ভোটে জিতে যেতাম!"

    সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এই পোস্টের মাধ্যমে ট্রাম্প তার দল থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছেন এবং ক্রমবর্ধমান নির্বাচনী পরাজয়ের দায় রিপাবলিকান প্রার্থীদের উপর চাপিয়েছেন বলে মনে হচ্ছে।

    অনেক রিপাবলিকান ইতোমধ্যেই মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে হতাশ ছিলেন।

    প্রতিনিধি পরিষদে নিয়ন্ত্র হারানো এবং সম্ভবত সেনেটও হারানোর পরিণতি নিয়ে রিপাবলিকানরা যখন ভাবতে শুরু করেছে, তখন এটি দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন ঠিক করতে সাহায্য করবে না।

  17. প্রতিনিধি পরিষদে জয়ের মাধ্যমে ট্রাম্পের ওপর বড় প্রভাব ফেলবে ডেমোক্র্যাটরা, সারাহ স্মিথ, উত্তর আমেরিকা এডিটর, ওয়াশিংটন থেকে

    ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদে ঠিক কত বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে, তা এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা বেশ গুরুত্বপূর্ণ হবে।

    তারা কি অল্প ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে, যেমন গত দুই বছর ধরে রিপাবলিকানদের ছিল? নাকি তারা উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে? বিষয়টি এখনো স্পষ্ট নয়।

    প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের জয় পাওয়া সেনেটের তুলনায় সব সময়ই তুলনামূলক সহজ হওয়ার কথা ছিল। তাই এটাকে দেখে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না যে সেনেটেও তারা অবশ্যই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে।

    তবে এটি নির্বাচনের পর সামগ্রিক প্রবণতা সম্পর্কে একটি ধারণা দেয়। যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন বৃদ্ধির যে ইঙ্গিত জনমত জরিপগুলোতে দেখা গিয়েছিল, তা বাস্তবতা থেকে খুব বেশি দূরে ছিল না বলেই মনে হচ্ছে।

    প্রতিনিধি পরিষদ যদি ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে যায়, তাহলে তা ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপরও বাস্তব এবং তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

    তারা ট্রাম্প এবং তার পরিবারের সদস্যরা হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর কীভাবে অর্থ উপার্জন করছেন, সে বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের তদন্ত শুরু করতে পারে। পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার মতো আরও বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলোকেও তারা খতিয়ে দেখতে পারে।

    তারা তৃতীয়বারের মতো ট্রাম্পকে অভিশংসনের উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। তবে এর পরিবর্তে তার মন্ত্রিসভার কিছু সদস্যকে লক্ষ্যবস্তু করাও তাদের কৌশল হতে পারে।

    আগামী দুই বছরে ডোনাল্ড ট্রাম্প কী কী অর্জন করতে পারবেন, তার ওপর এই ফলাফল উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।

  18. মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল ‘মেনে নিতে প্রস্তুত' প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

    রিপাবলিকান পার্টির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কিছু আসনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের জয়ের পর, নিউ ইয়র্ক টাইমসকে নতুন প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট বলেছেন যে তিনি “এই ফলাফলগুলো মেনে নিতে পুরোপুরি ইচ্ছুক” এবং বিরোধী দলের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।

    তিনি বলেন, "আমরা তাদের সাথে কাজ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।"

    “আমরা সম্ভবত কোনো একটা উপায় বের করে নেব,” বলেন ট্রাম্প।

  19. আমি ব্যালটে থাকলে বিপুল ভোটে জিতে যেতাম: ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি পরাজয়ের মুখে পড়ার পর, প্রথমবারের মতো মন্তব্য করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে তিনি লিখেছেন যে, "আমি ব্যালটে ছিলাম না, আর যদি থাকতাম, তাহলে আমরা বিপুল ভোটে জিতে যেতাম!"

  20. যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর হতে যাচ্ছেন কেইশা ল্যান্স বটমস

    জর্জিয়ার গভর্নর নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট কেইশা ল্যান্স বটমস জয়ী হবেন বলে অনুমান করা হচ্ছে।

    অনুমান সত্যি হলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর হিসেবে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়বেন।

    রিপাবলিকান রিক জ্যাকসনের বিরুদ্ধে তার জয়ের অর্থ হলো ডেমোক্র্যাটরা গভর্নরের পদটি নিজেদের দখলে নিয়েছে।

    বটমস এর আগে ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত আটলান্টার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং পরে এবং বাইডেন প্রশাসনে যোগ দেন।