আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

লাইভ, নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃত্যুর সংখ্যা সাড়ে সাতশো ছাড়িয়ে গেছে, তিব্বতে আরেকটি হ্রদের সৃষ্টি

নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃত্যুর সংখ্যা সাড়ে সাতশো ছাড়িয়ে গেছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছে আড়াই হাজার মানুষ, যাদের মধ্যে বহু বিদেশি পর্যটক রয়েছেন। বিস্তারিত বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

সরাসরি কভারেজ

রিপোর্টিং করছেন জান্নাতুল তানভী, সম্পাদনায় সায়েদুল ইসলাম

  1. গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে চারজন মারা গেছে

    গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে চারজন মারা গেছে। এর মধ্যে বরিশাল বিভাগেই দুইজন মারা গেছে।

    রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

    গত ১৫ই মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৮৬৮ জন। আর একই সময়ে হামে ৯৯ জন মারা গেছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে ৩৬৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    আর এই বছরের ১৫ই মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে ১৯ হাজার ২১৮ জন চিকিৎসা নিয়েছেন।

    এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে এক হাজার ১৫১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    একইসঙ্গে গত ১৫ই মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত এক লাখ ৫৬ হাজার ৮২৯ জন হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

  2. তিব্বতে 'ভূমিধসে নদী অবরুদ্ধ হয়ে আরেকটি হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে'

    চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, কয়েকদিন আগে তিব্বতের একটি হ্রদে আরেকটি ভূমিধসের কারণে নতুন একটি বাঁধ তৈরি হয়েছে।

    ভূমিধসের কারণে কোনো ঝর্ণা বা নদীর প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে অনেক সময় পানি জমে হ্রদের সৃষ্টি হয়ে যায়।

    বুধবার আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পর নেপালের রাসুয়ার সাথে সংযুক্ত তিব্বতের কেরুং এ একটি হ্রদ সৃষ্টি হয়েছে।

    ফলে এমন আশঙ্কা করা হচ্ছিল যে, হ্রদটি ভেঙে পড়ে আরেকটি বড় বন্যা ঘটাবে।

    তবে, নতুন হ্রদটি এখন ভরে গেছে এবং নিজে থেকেই শুকিয়ে যাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

    চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সিসিটিভির তথ্য অনুযায়ী, নজরদারির একটি ড্রোন বুধবার সৃষ্ট হ্রদটির দুই দশমিক আট কিলোমিটার ভাটিতে “প্রুকপু চিয়াং ঝাংবু” নদীতে একটি ভূমিধস শনাক্ত করেছে।

    চীনের জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়, দ্রুত পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে বিশেষজ্ঞদের নির্দেশ দিয়েছে।

    তবে, সিসিটিভি আরও জানিয়েছে, কেরুং বন্দরের উদ্ধার কর্মীদের আপাতত একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

    শুক্রবার পাহাড় থেকে পড়া বরফ ও তুষারে হ্রদটি ভরে যাওয়ায় জল উপচে পড়ে।

    এরপর নেপালের ভাটিতে অবস্থিত ভোটেকোশী এবং ত্রিশূলী নদীর পানির প্রবাহও বাড়তে দেখা যায়।

    এরপর থেকে চীনা বিশেষজ্ঞরা, ক্রমাগত হ্রদের পানির স্তর পর্যবেক্ষণ করছেন।

    যদি হ্রদটি থেকে পানি উপচে পড়তে দেখা যায় তাহলে চীনা কর্তৃপক্ষ সতর্কবার্তা জারির ব্যবস্থাও নিয়েছে বলে জানা গেছে।

  3. আরেকটি বন্যা ছোট আকারে হলেও গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে, সতর্ক করলেন বিশেষজ্ঞ

    বন্যা বিষয়ক একজন বিশেষজ্ঞ সতর্ক করেছেন, নেপাল ও তিব্বতে এখন প্রধান উদ্বেগের বিষয় হলো, এই আকস্মিক বন্যা আরো নতুন ঝুঁকি তৈরি করেছে। সেখানে আরেকটি বন্যা ছোট আকারে হলেও তা বিপর্যয়ে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।

    রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্যা পূর্বাভাস ও দুর্যোগ ঝুঁকি গবেষক জেফ দা কস্তা আমাকে জানান, এই দুর্যোগের ফলে ধ্বংসাবশেষগুলো বিভিন্ন নদী আটকে দিয়ে উজানে নতুন করে হ্রদ তৈরি করেছে।

    আকস্মিক বন্যায় ওই এলাকার অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে তার ভাষায়, “প্রথমটির মতো বড় না হলেও দ্বিতীয় আরেকটি বন্যা হলে সেখানে বিপর্যয়ে গুরুতর প্রভাব তৈরি করতে পারে। ”

    তিনি বলেন, এলাকার হ্রদ ও প্রাকৃতিক বাঁধগুলোর পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা এবং সেগুলো কোথায় ভেঙে যেতে পারে তা নজরে রাখা এখন “অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ”।

    গবেষক আরও বলেন, চীন ও নেপালের মধ্যে পর্যবেক্ষণ তথ্য বিনিময় গুরুত্বপূর্ণ, কারণ “উজানে যা ঘটে তা সীমান্তের ওপারের মানুষকে খুব দ্রুত প্রভাবিত করতে পারে।”

    তিনি যোগ করেন, “তথ্যকেও একই গতিতে প্রবাহিত হতে হবে এবং মাটিতে বাস্তব সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করতে হবে।”

    দা কস্তা আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এই দুর্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট, কারণ উষ্ণতা হিমবাহ, পারমাফ্রস্ট এবং হিমালয়ের ঢালের স্থিতিশীলতা পরিবর্তন করছে।

    তবে তিনি বলেন, আরও বিশ্লেষণ ছাড়া এই দুর্যোগকে সরাসরি জলবায়ু পরিবর্তনের ফল বলা যাবে না।

  4. নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৫২, নিখোঁজ ২৫০০

    আকস্মিক বন্যায় নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৫২ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ)।

    স্থানীয় সময় বেলা একটায় এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    নেপালের পুলিশ জানিয়েছে, এখনো দুই হাজার ৪৯৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে দুপুরে নিখোঁজের সংখ্যা আগের থেকে বেড়ে ২,৫০২ জন হয়েছে।

    এছাড়া উদ্ধার করা হয়েছে আট হাজার ১৮৬ জনকে। প্রায় ২০ হাজার নিরাপত্তা কর্মী এই উদ্ধার কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছেন।

    নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২৬১ জন বিদেশি নাগরিককে উদ্ধার করা হলেও এখনো ৩২০ পর্যটকের খোঁজ মেলেনি।

    অন্যদিকে, চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, তিব্বতের ভূমিধসে ১৬ জন নিহত হয়েছে। আগে সাতজন নিহত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছিল।

    চীনের কঠোর নিয়ন্ত্রণের কারণে সেখানকার প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা কঠিন বলে জানিয়েছেন বিবিসির সংবাদদাতারা।

    সিসিটিভি জানিয়েছে, তিব্বতে ৫৪৬ জন এখনও নিখোঁজ আছেন, যাদের মধ্যে ২৩ দেশের ২৬১ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন। এদের মধ্যে ১৫ জন ব্রিটিশ নাগরিক।

    নেপালি কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে ৩৩ জন ব্রিটিশ নাগরিকের নিখোঁজ থাকার কথা জানিয়েছে।

    তবে তিব্বতমুখী সীমান্ত পারাপারের পথে থাকা এসব নিখোঁজ ব্রিটিশ নাগরিকদের মধ্যে কতজন চীনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

  5. বিবিসি বাংলার লাইভ

    বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায় আপনাদের স্বাগত। দেশ ও বিশ্বের উল্লেখযোগ্য ঘটনার সর্বশেষ খবর পেতে চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার এই পাতায়।

    আরো পড়তে পারেন:

    বিবিসি বাংলায় দেশ-বিদেশের আরো খবর পেতে ক্লিক করুন এখানে