"যদি ৩০ দিনের মাঝে আপিল করা না হয়, তাহলে পরবর্তীতে আর কোনো আপিল গ্রহণ করার সুযোগ হবে না, সেটা যে কারো আপিল-ই হোক, সেটা হোক শেখ হাসিনার, হোক মাওলানা আবুল কালাম আজাদের।"
আজ সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াতের সাবেক নেতা মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন। জামায়াতের এই নেতা বিভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠানে ইসলামিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করে পরিচিতি পেয়েছিলেন।
গত বছর অক্টোবরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তার সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
১৩ বছর পলাতক থাকার পর এই বছরের ২১শে জানুয়ারি তিনি ট্রাইব্যুনালে আত্মসমপর্ণ করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে খালাস চেয়ে আপিল করেন।
আজ সাতই সেপ্টেম্বর সেই আপিল আদেশের রায়ের দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন চূড়ান্ত কোনো আদেশ হয়নি।
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, "যেকোনো পলাতক আসামি, অথবা যারা জেলে আছে, তাকে অবশ্যই ৩০ দিনের মাঝে আপিল ফাইল করতে হবে, পলাতক থাকার কারণে হোক, অন্য কোনো কারণে হোক, কেউ যদি ৩০ দিনের মাঝে এসে ফাইল দায়ের না করেন, তাহলে ওই আসামির জন্য আর আপিল করার সুযোগ থাকবে না।"
"মওলানা আবুল কালাম আজাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিলো ট্রাইব্যুনাল থেকে। কিন্তু তিনি যেকোনো কারণেই হোক, দীর্ঘদিন দেশে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি আপিলটা ফাইল করতে পারতেন বা করেননি। এখন আমাদের আইনের ২১'র তিনে বলা আছে, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মাঝে আপিল করতে হবে। সেখানেও এটাও বলেছে যে যদি ৩০ দিনের মাঝে আপিল না করা হয়, তাহলে আর কোনো আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না," যোগ করেন তিনি।