পত্রিকা: 'বিদ্যুতের দাম ইউনিটে দেড় টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব'

পত্রিকা
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

খবরে বলা হচ্ছে, এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পাইকারি ও খুচরা উভয় পর্যায়ে দাম বাড়ানোর একটি প্রস্তাব গতকাল সোমবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) পাঠিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিটে ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে দেড় টাকা পর্যন্ত এবং খুচরা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১ টাকা ৩৮ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়তে পারে।

বিদ্যুৎ বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সাধারণ গ্রাহকদের ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে ভিন্ন ভিন্ন হারে দাম সমন্বয় করা হবে। তবে লাইফ লাইন বা স্বল্প বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের এই চাপের বাইরে রাখা হয়েছে।

রীতি অনুযায়ী, বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো কমিশনের কাছে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। এরই মধ্যে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডসহ (পিডিবি) বিতরণ কোম্পানিগুলো প্রস্তাব পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

কোম্পানিগুলো বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাব অনুসারেই তাদের আবেদনপত্র তৈরি করছে, যা চলতি সপ্তাহেই বিইআরসিতে পাঠানো হতে পারে।

সমকাল

খবরে বলা হচ্ছে, টানা ভারী বর্ষণ আর উজানের আসাম-মেঘালয় পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢলে দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলের আটটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে পানির স্তর। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, অব্যাহত থাকতে পারে পানি বৃদ্ধি। বন্যা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা রয়েছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও বৈশ্বিক আবহাওয়া সংস্থাসমূহের তথ্য অনুযায়ী, এই অঞ্চলে আগামী তিন দিন মাঝারি থেকে মাঝারি-ভারী এবং ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। এই বন্যা অন্য জেলাগুলোতেও ছড়িয়ে যাওয়ার শঙ্কার কথা জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

এদিকে ভারতের বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, মেঘালয় ও আসামে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে ১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে হাওর অঞ্চলের নদনদীর পানি আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং নদী তীরবর্তী ও নিচু এলাকার মানুষদের সতর্ক অবস্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বৃষ্টি ও উজানের পানির প্রভাবে নদনদীর এই আকস্মিক বৃদ্ধি স্থানীয় হাওরাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

ইত্তেফাক

'জেল পালানো জঙ্গিরা কোথায়?' মানবজমিনের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, '২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে দেশের ৮টি কারাগার ভেঙে পালানো ৭ শতাধিক বন্দির এখনো হদিস মেলেনি। তালিকায় থাকা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৯৮ জঙ্গির মধ্যে ৭০ জন এখনো অধরা।

অভিযোগ উঠেছে- এতদিন আরসা, জেএমবি, হুজি-বি, এটিবিসহ, হিজবুত তাহ্‌রীর, জামা'আতুল মুজাহিদীনসহ বিভিন্ন নামে আলাদা আলাদা সংগঠন পরিচালনা করে আসছিল এসব জঙ্গি।

কিন্তু বর্তমানে জেল ফেরারি এসব জঙ্গি আত্মগোপনে থেকে মার্শাল-আর্টসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আড়ালে সদস্য সংগ্রহ করে প্রকাশ্যে ও অনলাইনে জঙ্গি তালিম দিচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু বিপদগামী সদস্যের সঙ্গে আঁতাত করে দেশে নতুন করে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে তারা।

ক'দিন আগে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় ৮টি বিমানবন্দরসহ সারা দেশে নিরাপত্তা জোরদার করে সরকার। নজর রাখা হচ্ছে কারা অভ্যন্তরে থাকা বন্দিদের ওপরে

মানবজমিন
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

খবরে বলা হচ্ছে, হাম ও গ্রামের উপসর্গ নিয়ে এক দিনে দেশে সর্বোচ্চ ১৭ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র। এ নিয়ে এই বছর হামে মৃত্যু ৩০০ ছাড়াল। হামে মৃত্যু কমানো যেত কি না, স্বাস্থ্য বিভাগ মৃত্যু ঠেকাতে সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

গত ১২ এপ্রিল নাইট্যাগের সভায় বিশেষজ্ঞরা একমত হয়েছিলেন যে হামের প্রাদুর্ভাবের সময় হামের উপসর্গ নিয়ে যেকোনো রোগীর মৃত্যুকে হামের মৃত্যু বলে বিবেচনা করতে হবে। ৩১১ জনের মৃত্যু হামে হয়েছে।

এ বছর জানুয়ারিতে কক্সবাজার জেলার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে প্রথম হাম শনাক্ত হয়। এ নিয়ে খুব জানাজানি হয়নি। তবে হাম ছড়াতে থাকে। মার্চ মাসের মাঝামাঝি প্রথমে রাজশাহী এবং পরে আরও কয়েকটি জেলায় হাম ছড়িয়ে পড়ার খবর গণমাধ্যমে আসে।

২৪ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা রোগের প্রাদুর্ভাববিষয়ক এক খবরে বাংলাদেশে হাম ছড়িয়ে পড়ার কথা জানায়। ওই খবরে বলা হয়, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ জেলায় (৯১ শতাংশ জেলা) হাম ছড়িয়ে পড়েছে। সংস্থাটি আরও বলে যে আক্রান্তদের ৭৯ শতাংশের বয়স ৫ বছরের নিচে।

সরকার ৫ এপ্রিল ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় বিশেষ টিকা কার্যক্রম শুরু করে। ১২ এপ্রিল ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশনে টিকা দেওয়া শুরু হয়।

প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, 'আগের পোশাকেই ফিরছেন পুলিশ সদস্যরা। শার্ট আগের মতোই থাকবে, মেট্রোপলিটন এলাকায় সবুজ এবং সারা দেশে নীল। প্যান্ট থাকবে খাকি রঙের।'

গতকাল সোমবার সচিবালয়ে 'বল প্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইন-শৃঙ্খলা সম্পর্কিত জাতীয় কমিটি'র প্রথম সভা শেষে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় পুলিশের নতুন পোশাক মানানসই নয় জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "আমরা লক্ষ করেছি, সারা দেশে এবং পুলিশ বাহিনীর মধ্যে যে বিদ্যমান পোশাক আছে, এটা নিয়ে কেউ সন্তুষ্ট না এবং এই পোশাকটা আসলে ওয়াইডলি একসেপ্টেডও হয়নি। শুদ্ধ বাংলায় 'মানানসই না'। সে জন্য পুলিশ বাহিনীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বিষয়টা বিবেচনা করেছি। একটি ঐতিহ্যবাহী 'ড্রেস' যেন দেওয়া যায় সেটাও আমরা বিবেচনা করেছি।

পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তনের অগ্রগতির বিষয় জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "আগের 'শার্ট' যেটা কী বলব, ওপরের অংশ আগে যেটা ছিল 'মেট্রোর' জন্য এবং সারা দেশের জন্য, সেটা আমরা বহাল রেখেছি। তবে প্যান্ট-পাজামা সেটা আমরা খাকি 'ড্রেস' দিয়েছি।"

কালের কণ্ঠ

খবরে বলা হচ্ছে, সারা দেশে চাঁদাবাজদের নিয়ন্ত্রণে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের বিষয়টি বার বার বলে আসছেন।

এরপর গত রোববার রাতে চাঁদাবাজির অভিযোগে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুমকে আটক করে পুলিশ। এই আটকের মধ্য দিয়ে সমাজে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিতে সক্ষম হয়েছে তারেক রহমানের সরকার।

যদিও আটকের ১২ ঘণ্টা পর মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে রেজাউল কাইয়ুমকে। ফলে এ নিয়ে কিছুটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হলেও অপরাধ বিশ্লেষক ও সমাজের বিশিষ্টজনরা বলছেন, এটাও বা কম কিসে! কারণ অতীতে কোনো সরকারকে নিজ দলের কারও বিরুদ্ধে এমন সিদ্ধান্ত নিতে দেখা যায়নি।

সূত্রগুলো বলছে, সরকারের সুনাম ক্ষুণ্ন হয় এমন কিছু বরদাশত করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সরকারের গ্রিন সিগনাল পেয়ে লাগাতার অভিযান শুরু করেছে। ইতোমধ্যে সারা দেশে চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের তালিকা হালনাগাদ করে 'অলআউট' অ্যাকশনে নেমেছে তারা।

যুগান্তর

খবরে বলা হচ্ছে, মাত্র পাঁচ বছর আগেও দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাতের দোর্দণ্ড প্রতাপশালী একটি নাম ছিল 'সিকদার পরিবার'। এ পরিবারের কর্তা ও সিকদার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা জয়নুল হক সিকদারের প্রভাব ছিল ক্ষমতার অন্দরমহলেও।

কিন্তু অল্প সময়ের ব্যবধানে পরিবারটির ক্ষমতা ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাব ভেঙে পড়েছে। দেশের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণ রেখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সিকদার পরিবারের সদস্যরা মৃত্যুবরণ করছেন।

সিকদার পরিবারের পতনের শুরু ২০২১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের একটি হাসপাতালে মারা যান জয়নুল হক সিকদার।

তার মৃত্যুর পর সন্তানদের বিবাদ ঠেকাতে গ্রুপটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েছিলেন স্ত্রী মনোয়ারা সিকদার। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান।

মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে গতকাল আরব আমিরাতের দুবাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন এ দম্পতির সন্তান ও সিকদার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রন হক সিকদার।

বণিক বার্তা

'দিদির রাজ্য মোদির দখলে' আজকের পত্রিকার শিরোনাম। আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রায় সব পত্রিকাতেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফরের খবর গুরুত্ব পেয়েছে।

আজকের পত্রিকার খবরটিতে বলা হচ্ছে, অবশেষে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শাসনভার যাচ্ছে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন মোদি-অমিতের বিজেপির হাতে। ভূমিধস জয়ের পথে হাঁটছে দলটি। এর মধ্য দিয়ে বাঙালি-প্রধান রাজ্যটিতে তৃণমূল কংগ্রেসের টানা ১৫ বছরের শাসনের অবসান হচ্ছে।

গতকাল সোমবার মধ্যরাতের দিকে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কলকাতার শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্র আনন্দবাজার পত্রিকার খবর, বিজেপি জিততে যাচ্ছে ২০৮ আসন। আর তৃণমূলের ঘরে যাচ্ছে মাত্র ৭৯।

বিজেপির নেতা শুভেন্দু অধিকারী এমনকি চমক জাগিয়ে হারিয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের প্রাণভোমরা খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে, তাঁর নিজের ঘাঁটিতেই।

বিজেপির বিজয় নিশ্চিতের ইঙ্গিত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, বদলার দিন আর নেই, বঙ্গে এবার বদল আসবে।

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার আসন ২৯৪টি। সরকার গঠনের জন্য অন্তত ১৪৮টি আসনে জয় প্রয়োজন। সেই বিবেচনায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পথেই ছিল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।

আজকের পত্রিকা

নিউ এইজের শিরোনাম 'Public univ VCs chosen mostly on political considerations' অর্থাৎ 'পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নির্বাচিত হয় রাজনৈতিক বিবেচনায়'।

খবরে বলা হচ্ছে, বছরের পর বছর ধরে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্য নিয়োগের যথাযথ পদ্ধতি উপেক্ষিত হয়ে আসছে। এর কারণ সরকারগুলো মূলত রাজনৈতিক বিবেচনায়ই তাদের নিয়োগ দিয়েছে।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইনে বলা আছে, উপাচার্যদের নির্বাচিত প্যানেলের মাধ্যমে নিয়োগ দিতে হবে। কিন্তু এই নিয়ম মানা হয় না।

উপাচার্যরা যেহেতু দলীয় মতাদর্শের ভিত্তিতে আসেন, তাই তারাও যোগ্যতা বিবেচনা না করে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সঠিকভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হয়।

সর্বশেষ, গত ১৩ই এপ্রিল যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক ইয়ারুল কবিরকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের সংগঠনের নেতা ছিলেন।

উপাচার্য নিয়োগের জন্য চলতি বছরের পহেলা এপ্রিল মন্ত্রণালয় কর্তৃক পুনর্গঠিত অনুসন্ধান কমিটির কাছ থেকে এই নিয়োগের বিষয়ে কোনো সুপারিশ গ্রহণ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন কমিটির সদস্যরা।

নিউ এইজ

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'Chalan Beel farmers rush to harvest as flood fears loom'. অর্থাৎ 'বন্যার আশঙ্কায় চলন বিলের কৃষকেরা ফসল কাটতে ব্যস্ত'।

খবরে বলা হচ্ছে, বর্ষার পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আগেই ফসল ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন নাটোরের সিংড়া উপজেলার চলন বিলের কৃষকেরা। বন্যার সময় ধানক্ষেতে পানি প্রবেশ ঠেকাতে স্থানীয় কৃষি দপ্তর ও গ্রামবাসীরা বিলটির খাল বন্ধ করে অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করেছেন।

কৃষক সাইফুল ইসলাম ২০ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছেন। গত সপ্তাহে ভারী বৃষ্টির কারণে কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হওয়ার আগে মাত্র পাঁচ থেকে ছয় বিঘা জমির ধান কাটতে পেরেছিলেন।

দাহাপাড়া এলাকায় আত্রাই নদীর পানি প্লাবিত হতে শুরু করায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। গ্রামবাসীরা পানির স্রোত আটকাতে অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করেছেন।

সিংড়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার ফরিদ বলেন, এ বছর ৩৬৬১০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেকেরও কম জমির ফসল কাটতে পেরেছেন কৃষকেরা। আত্রাই নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে যে, খেতে পানি ঢুকে পড়ার আগেই ফসল কাটতে পারবেন কি না।

দ্য ডেইলি স্টার

দ্য বিজনেস স্টান্ডার্ডের শিরোনাম 'VAT goes to village: NBR eyes bringing small businesses under coverage' অর্থাৎ 'ভ্যাট এখন গ্রামে: ক্ষুদ্র ব্যবসাকেও আওতায় আনার কথা ভাবছে এনবিআর'।

খবরে বলা হচ্ছে, তৃণমূল পর্যায়ের ব্যবসায়ীদেরও ভ্যাটের আওতায় আনার কথা চিন্তা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সামগ্রিক রাজস্ব বাড়ানোর লক্ষ্যে এ পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এই পরিকল্পনার আওতায় ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য পরীক্ষামূলকভাবে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত 'টোকেন' ভ্যাট চালু করা।

পাশাপাশি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও ট্রেড লাইসেন্সের জন্য বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (বিন) বাধ্যতামূলক করা হবে।

অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

দ্য বিজনেস স্টান্ডার্ড

খবরে বলা হচ্ছে, আসন্ন সিটি নির্বাচনে এক নতুন মেরুকরণ দেখা যাচ্ছে। সংসদে জোটবদ্ধ থাকলেও, এবার মুখোমুখি হতে পারে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামী এবং এনসিপির মধ্যে নির্বাচনী জোট হয়।

তবে সিটি নির্বাচনের সময় এসে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে (ডিএসসিসি) দুই দলই নিজেদের প্রার্থী দিতে চায়। ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েমকে প্রার্থী করতে চায় জামায়াত। অন্যদিকে, এনসিপি তাদের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নাম ঘোষণা করেছে।

এখন পর্যন্ত সিটি নির্বাচনে জোট করার কোনো আলোচনা হয়নি। দু'দলেরই সিন্ধান্ত অনুযায়ী দুই দলই নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাই করতে এককভাবে নির্বাচন করতে চায় । তবে শেষ মুহূর্তে সমোঝতা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন দু'দলেরই শীর্ষ নেতারা।

নয়াদিগন্ত