বাংলাদেশ হামের 'উচ্চ ঝুঁকিতে' বলতে কী বুঝিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা?

ছবির উৎস, Mamunur Rashid/NurPhoto via Getty Images
- Author, মুকিমুল আহসান
- Role, বিবিসি নিউজ বাংলা
- পড়ার সময়: ৭ মিনিট
দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের হাম পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করেছে। প্রায় প্রতিদিনই রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের হাসপাতালগুলোতে হাম বা এর উপসর্গ নিয়ে অন্যান্য সময়ের তুলনায় অনেক বেশি রোগী আসছে। সেই সাথে প্রতিদিনই হাম কিংবা উপসর্গ নিয়ে মারা যাচ্ছে শিশুরা।
সর্বশেষ শনিবারও সারাদেশে হামে আক্রান্ত ও লক্ষণ নিয়ে মারা গেছে অন্তত ১১ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ই মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে ২০৯ শিশুর মৃত্যু হলো। এ সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে ৪২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এমন অবস্থায় বাংলাদেশের হাম পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডাব্লিউএইচও উদ্বেগ জানিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। হামের বর্তমান পরিস্থিতিকে জাতীয়ভাবে 'উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ' বলেও মূল্যায়ন করছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৫৮টিতেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। টিকার তীব্র ঘাটতি এবং ক্রমবর্ধমান মৃত্যুহার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ডাব্লিউএইচও।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রিপোর্টে, বর্তমানে বাংলাদেশের হাম পরিস্থিতির বাস্তব অবস্থা, হাম আক্রান্ত হলে করণীয়, টিকাদান কর্মসূচির পরিসর বাড়ানো বেশ কিছু জরুরি পরামর্শও দিয়েছে সংস্থাটি।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের রোগের ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যখন 'উচ্চ ঝুঁকি' হিসেবে উল্লেখ করে তা এক অর্থে মহামারীই। যে কারণে সরকারেরই উচিত ছিল সংকট মোকাবিলায় জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করা।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মুশতাক হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেন, "বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরিস্থিতিকে উচ্চ ঝুঁকির আখ্যা দেওয়ার পর এ নিয়ে সরকারের জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করা উচিত ছিল। তাহলে একদিকে যেমন সঠিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা যেতো, তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যেও সচেতনতা বাড়ানো যেতো"।
তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, জরুরি পরিস্থিতি বা মহামারী ঘোষণা যদি করতে হয় সেটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাই করবে। আলাদা করে বাংলাদেশ সেটি করতে পারে না।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শনিবারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১৫ই মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৩০ হাজার ৬০৭ শিশুর শরীরে। এই সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২০ হাজার ৪৭৫ শিশু।
ঢাকা ও ঢাকার বাইরে কয়েকটি হাসপাতালের চিকিৎসকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেড়েছে হাসপাতালগুলোতে। যে কারণে কোনো কোনো হাসপাতালে হাম রোগীদের চিকিৎসায় আলাদা ইউনিটও চালু করা হয়েছে।
এক সময়ে বাংলাদেশ থেকে যেই হাম পরিপূর্ণভাবে নির্মূল হয়েছিল সেটি এত ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লো কীভাবে সেই প্রশ্নও সামনে আসছে।

ছবির উৎস, FABRICE COFFRINI/AFP via Getty Images
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে কী আছে?
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
গত বৃহস্পতিবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে সেখানে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশে হাম রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
হাম পরিস্থিতি নিয়ে গত চৌঠা এপ্রিল বাংলাদেশের 'ন্যাশনাল আইএইচআর ফোকাল পয়েন্ট' যেসব তথ্য সরবরাহ করেছে, মূলত তার ভিত্তিতেই প্রতিবেদনটি তৈরি করে জাতিসংঘের এ সংস্থা।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত ১৫ই মার্চ থেকে ১৪ই এপ্রিল পর্যন্ত এক মাসে ১৯ হাজার ১৬১ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে দুই হাজার ৯৭৩ জনের শরীরে।
এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, দেশের আটটি বিভাগের সবগুলোতেই এবং ৬৪ জেলার মধ্যে ৯১ শতাংশ অর্থাৎ ৫৮টি জেলায়ই হাম আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।
১৪ই এপ্রিল পর্যন্ত ১৬৬টি সন্দেহভাজন হাম-সংশ্লিষ্ট মৃত্যু এবং ৩০টি নিশ্চিত হাম-সংশ্লিষ্ট মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে। মোট ১২ হাজার ৩১৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ৯ হাজার ৭৭২ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টে বলা হয়েছে, সারাদেশের আটটি বিভাগের হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। ১৫ই মার্চ থেকে সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে আট হাজার ২৬৩।
এরপর রয়েছে রাজশাহী বিভাগে তিন হাজার ৭৪৭, চট্টগ্রাম বিভাগে দুই হাজার ৫১৪ এবং খুলনা বিভাগে এক হাজার ৫৬৮ জন।
গত মার্চ মাস থেকে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার পর ঢাকার শিশু হাসপাতালসহ কয়েকটি হাসপাতালে আলাদা ইউনিটও চালু করা হয়েছে।
ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের শিশু বিভাগের চিকিৎসক সামিনা তাবাসসুম অনিকা বিবিসি বাংলাকে জানান, ওই হাসপাতালেও ২০০ বেডের একটি বিশেষ ইউনিট চালু হয়েছে। যেখানে হাম আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে।
ঢাকার বাইরের উপজেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতেও হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে।
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন চিকিৎসক জানান, উপসর্গ নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসেছিলেন এমন কারো কারো হাম আক্রান্ত হওয়ার রিপোর্টও তারা পেয়েছেন।
আক্রান্ত অনেককে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির তথ্যও জানিয়েছেন ওই চিকিৎসক।
তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেন, "গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে শিশুদের হামের টিকা দেওয়া হয়নি যথাযথভাবে। ভ্যাকসিনের সংকটে এমন পরিস্থিতিতে পৌঁছেছে। শতভাগ না হোক অন্তত ৮০ শতাংশও শিশুকেও যদি সঠিকভাবে ভ্যাকসিন দেওয়া হতো তাহলে হয়তো পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছাত না"।
এদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটাও জানিয়েছে, ঢাকায় রোগী বেশি পাওয়া যাচ্ছে ঘনবসতিপূর্ণ বসতি এলাকায়। যেমন ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, কামরাঙ্গীরচর, কড়াইল, মিরপুর এবং তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও বস্তি এলাকায়।

হামের 'উচ্চ ঝুঁকি' বলতে কী বোঝায়?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের রিপোর্টে, বাংলাদেশের হাম পরিস্থিতির কথা তুলে ধরার পাশাপাশি বাংলাদেশ কেন 'উচ্চ ঝুঁকিতে' সেই বিষয়গুলোও তুলে ধরেছে। যেখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সবগুলো বিভাগেই এই রোগটি ছড়িয়ে পড়ার কারণে সংক্রমণ আস্তে আস্তে ছড়িয়ে পড়েছে।
ডাব্লিউএইচও বলেছে, আক্রান্তদের বড় অংশের টিকা নেওয়া ছিল না। আবার কোনো কোনো শিশু প্রথম ডোজ নিলেও দ্বিতীয় ডোজ নেয়নি। যে কারণে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলত চলতি জানুয়ারির পর থেকেই হামের প্রাদুর্ভাব একটু একটু করে বাড়তে থাকে বাংলাদেশে। যেটি গত মার্চ মাস থেকে আরো বেশি ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মুশতাক হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেন, "এমন অবস্থায় হামকে জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ঘোষণা উচিত ছিল। যদি সেটা করা হতো তাহলে চিকিৎসা, ভ্যাকসিন কার্যক্রমকে আরো বাড়িয়ে নেওয়া যেতো, পরিস্থিতি আরো ভালভাবে সামাল দেওয়া যেতো"।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসপাতালে যাওয়া রোগীদের বেশির ভাগই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু। এই হার ৭৯ শতাংশ। এর মধ্যে দুই বছরের কম বয়সী শিশু ৬৬ শতাংশ এবং নয় মাসের কম বয়সী শিশু ৩৩ শতাংশ।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কয়েকটি বিষয়কে সামনে রেখে কতখানি ঝুঁকিপূর্ণ সেটি বিবেচনা করে। যেহেতু এখন প্রায় সারা বাংলাদেশে এটা ছড়িয়ে পড়েছে এবং সব বয়সের মানুষ আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, হাসপাতালগুলোতে ভিড় বাড়ছে, আক্রান্তদের শিশুদের মধ্যে একটা অংশ মারা যাচ্ছে, স্বাস্থ্য বিভাগ পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে যে কারণে পরিস্থিতিতে 'উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ' বলে সংজ্ঞায়িত করেছে ডাব্লিউএইচও।
যে কারণে বাংলাদেশের এই হাম পরিস্থিতি যেই অবস্থায় দাঁড়িয়েছে বিষয়টিকে 'মহামারী' হিসেবেই দেখছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মি. হোসেন।
মি. হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেন, "উচ্চ ঝুঁকির ওপরে তো আর কিছু নেই। সুতারং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভাষায় যা উচ্চ ঝুঁকি সেটি এক অর্থে 'মহামারী', কারণ উচ্চ ঝুঁকির ওপরে তো আর কিছু নাই"।
তবে, এখনই এই পরিস্থিতিকে 'মহামারী' বলতে রাজি নয় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিভাগ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, "মহামারি পরিস্থিতি তখনই ঘোষণা করা হয় যখন একসাথে অনেকগুলো দেশে রোগটি ছড়িয়ে পড়ে। এবং সেটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাই ঘোষণা করে। বাংলাদেশ আলাদা করে ঘোষণা করবে না"।
End of বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন:

ছবির উৎস, NurPhoto via Getty Images
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ
ডাব্লিউএইচও তাদের পর্যবেক্ষণ বলছে, বাংলাদেশের পাশাপাশি আঞ্চলিক পর্যায়ও (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া) 'উচ্চ ঝুঁকিতে' রয়েছে; আর বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এই ঝুঁকি 'মাঝারি' পর্যায়ের।
ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্ত এবং মানুষের অবাধ যাতায়াত আন্তঃসীমান্ত সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। বিশেষ করে যশোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের মতো সীমান্ত এলাকাকে 'হটস্পট' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এই প্রতিবেদনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সব পৌর এলাকায় হামপ্রতিরোধী টিকার প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজে অন্তত ৯৫ শতাংশ সমান ও টেকসই কভারেজ বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছে।
একই সঙ্গে হাম ও রুবেলা সংক্রমণের ওপর নজরদারি জোরদার করতে বলেছে, যাতে সরকারি, বেসরকারি ও সামাজিক নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে সব সন্দেহভাজন রোগী দ্রুত শনাক্ত করা যায়।
হাম মোকাবিলায় জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করা, প্রাদুর্ভাব চলাকালে হাসপাতাল পর্যায়ে যথাযথ রোগী ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, আলাদা আইসোলেশনের ব্যবস্থা করারও পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মুশতাক হোসেন মনে করছেন, বাংলাদেশের হাম পরিস্থিতি এতটা জটিল আকার ধারণ করার পেছনে টিকা ছিল বড় কারণ। যে কারণে হাসপাতালগুলোর বাইরেও বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকাদান এবং বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরগুলোতেও কর্মসূচি চালু করা জরুরি।
মি. হোসেন আরো বলেন, "এখন থেকে যদি কোনো বাচ্চার জ্বর হয় তাহলে আগেই তাকে আইসোলেশনে নেওয়া উচিত। যদি কোনো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা বা বাসায় থাকে তাহলে হাসপাতালে আইসোলেশনে নিতে যাতে অন্য ব্যক্তি বা রোগীদের সংস্পর্শে না আসতে পারে। এর পাশাপাশি যারা আক্রান্ত হয়নি তাদেরও ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে"।
সংক্রমণের সংস্পর্শে আসা ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের তিন দিনের মধ্যে হামপ্রতিরোধী টিকা প্রদানসহ টিকা, সিরিঞ্জ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের পর্যাপ্ত মজুত রাখারও পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।








